ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

‘জামিন পেলেও মুক্তি পাচ্ছেন না বেগম জিয়া’


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০১:১৬ পিএম, ১৬ মে ২০১৮, বুধবার | আপডেট: ০২:৪৯ পিএম, ১৬ মে ২০১৮, বুধবার
‘জামিন পেলেও মুক্তি পাচ্ছেন না বেগম জিয়া’

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশ আপিল বিভাগে বহাল থাকলেও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার এখনি মুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি জানান, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আরো সাতটি মামলা রয়েছে। সেগুলো থেকে তাকে জামিন নেয়ার পরই তিনি মুক্তি পাবেন। তবে শিগগিরই তিনি আমাদের মধ্যে ফিরে আসবেন বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন মওদুদ।

আজ বুধবার রায় দেন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জামিন বাতিলে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের করা আপিল খারিজ করে দিয়ে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ৪ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ। একইসঙ্গে নিম্ন আদালতের সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার যে আপিল করেছেন সে আপিল বিচারপতি ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বেগম জিয়া আইনজীবীরা বলেছেন, কুমিল্লা, নড়াইল ও ঢাকায় থাকা মামলায় জামিন নেওয়ার পরই কেবল তিনি জামিনে মুক্তি পাবেন। এ রায়ের পর খালেদা জিয়ার মুক্তিতে বাধা আছে কিনা এমন প্রশ্নে খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, সরকার তো সব সময় বাধা দেয়। এখন তার বিরুদ্ধে অন্য যেসব মামলা আছে সেগুলোতে দ্রুত হাইকোর্ট থেকে জামিন নেওয়ার চেষ্টা করবো। আইনি প্রক্রিয়ায় সব বাধা দূর করা হবে।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, আমরা হাইকোর্ট বিভাগে এ মামলার আপিল শুনানিতে প্রস্তুত আছি। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। এ ছাড়া ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদসহ সিনিয়র আইনজীবীরা খালেদার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, দুদকের পক্ষে অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন নিম্ন আদালত। এ মামলার অপর আসামি খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বাকি ৫ জনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা জরিমানাও করা হয়।

অমৃতবাজার/সবুজ