ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৭ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ফেনীর একরাম হত্যা মামলায় ৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:৫৩ পিএম, ১৩ মার্চ ২০১৮, মঙ্গলবার | আপডেট: ০৭:৪৬ পিএম, ১৩ মার্চ ২০১৮, মঙ্গলবার
ফেনীর একরাম হত্যা মামলায় ৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

বহুল আলোচিত ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একরামুল হক একরাম হত্যা মামলায় ৩৯ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া রায়ে মামলার প্রধান আসামি বিএনপি নেতা মিনার চৌধুরীসহ ১৬ জনকে খালাস দিয়েছেন ফেনীর আদালত। মঙ্গলবার বিকালে ফেনী জেলা ও দায়রা জজ মো. আমিনুল হক এই রায় ঘোষণা করেন।

২০১৪ সালের ২০ মে শহরের একাডেমি এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে তৎকালীন ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একরামুল হক একরামকে গুলি করে, কুপিয়ে ও গাড়িসহ পুড়িয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

হত্যার ঘটনায় জড়িত হত্যাকারীরা একের পর এক গ্রেফতার হতে থাকলে মুখোশ উন্মোচিত হয় ঘটনার নেপথ্যের কাহিনী। বেরিয়ে আসে সরকারদলীয় অন্তঃকোন্দলের কারণে হত্যা করা হয় একরামকে। হত্যার সঙ্গে জড়িত রাঘব-বোয়ালদের নাম বেরিয়ে এলে গা-ঢাকা দিয়ে আত্মগোপনে যায় হত্যাকারীরা।

হরতাল-অবরোধ-বিক্ষোভসহ মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন তারা। একরাম হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই রেজাউল হক জসিম বাদী হয়ে বিএনপি নেতা মাহাতাব উদ্দিন আহম্মেদ চৌধুরী মিনারের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৩০-৩৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন। হত্যার ১২০ দিন পর ২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ ৫৬ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। আদালত ওই বছরের ১২ নভেম্বর আলোচিত এ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। অভিযোগপত্র দাখিলের ১৬ মাস পর ২০১৭ সালের ১৫ মার্চ আদালত মামলার অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন।

পরে সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে বিচারকাজ শুরু হয়। এ পর্যন্ত আদালত মামলার বাদী একরামের বড় ভাই রেজাউল হক জসিম, ছোট ভাই এহসানুল হক, নিহতের স্ত্রী তাসমিন আক্তার, গাড়িচালক আবদুল্লাহ আল মামুনসহ ৪৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন। অভিযোগপত্রে পুলিশ ৫৯ জনকে সাক্ষী করেছিল।

অমৃতবাজার/সুজন