ঢাকা, রোববার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ | ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

চলন্ত বাসে ধর্ষিতার পরিবার পাবে সেই বাস


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪:৫৩ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, সোমবার | আপডেট: ০৫:০৭ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, সোমবার
চলন্ত বাসে ধর্ষিতার পরিবার পাবে সেই বাস

টাঙ্গাইলে বহুল আলোচিত চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী গণধর্ষণের পর সারা দেশে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। যে বাসটিতে এ অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছিল সেই ছোঁয়া পরিবহনের বাসটি নিহত রূপার পরিবারকে সাতদিনের মধ্যে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও গণধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ওই ঘটনায় ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ছোঁয়া পরিবহনের চালক হাবিবুর রহমান (৪৫), হেলপার শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীর (১৯)। সুপারভাইজার সফর আলীকে (৫৫) সাত বছরের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সোমবার টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ কে এম নাছিমুল আক্তার। তাকে সহায়তা করেন মানবাধিকার কমিশনের আইনজীবী এস আকবর খান, মানবাধিকারকর্মী এম এ করিম মিয়া ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আজাদ। আসামিপক্ষে ছিলেন শামীম চৌধুরী দয়াল ও দেলোয়ার হোসেন।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি এ কে এম নাছিমুল আখতার নাসিম জানান, ঘটনার ১৭৩ দিন আর মামলার ১৭১ দিনের মাথায় আলোচিত এই মামলার রায় হল। গত বছরের ২৫ আগস্ট, টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় কলেজ ছাত্রী রূপাকে। এ ঘটনায়, ওই বছরের ২৮ আগস্ট মধুপুর থানায় ছোঁয়া পরিবহনের চালক ও হেলপারসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহত রূপার ভাই।

অমৃতবাজার/সুজন