ঢাকা, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২০ | ২৩ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ভৈরবে হোম কোয়ারেন্টাইনে না থাকায় ৬ প্রবাসীকে আইসোলেশনে


ভৈরব (কিশোরগঞ্জের) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৯:৫৭ এএম, ১৮ মার্চ ২০২০, বুধবার
ভৈরবে হোম কোয়ারেন্টাইনে না থাকায় ৬ প্রবাসীকে আইসোলেশনে

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় বিদেশফেরত ছয় প্রবাসীকে হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে আইসোলেশন ইউনিটে এনে ভর্তি করা হয়েছে। এরা সবাই ইতালিফেরত। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে তাদের ২০ শয্যাবিশিষ্ট ট্রমা সেন্টারের আইসোলেশন ইউনিটে রাখা হয়েছে।

ওই ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা বাসায় না থেকে বাইরে গিয়ে সব কাজকর্ম বা ঘোরাঘুরি করতেন। তাই মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার পর স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ম্যাজিস্ট্যাট হিমাদ্রি খিসা, স্যানিটারি পরিদর্শক নাসিমা বেগম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বাহালুল খান বাহারসহ এক দল পুলিশ প্রবাস থেকে আসা লোকজনের বাড়িতে যায়।

মঙ্গলবার পর্যন্ত ভৈরবে ৯৬ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিল। এদের মধ্য বেশিরভাগ ইতালি ও সৌদিফেরত। গত সোমবার থেকে এই সংখ্যা গণনা করে স্বাস্থ্য বিভাগ। থানা পুলিশের কাছেও ৯৬ জনের তালিকা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. বুলবুল আহমেদ জানান, সদ্য বিদেশফেরত প্রবাসীদের আমরা হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলেছিলাম। কিন্তু অনেকেই নির্দেশ মানছে না বলে আজ রাতে (গতকাল) ছয়জনকে বাড়ি থেকে পুলিশ ধরে নিয়ে আসে।

এদের ট্রমা সেন্টারে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। বুধবার অন্যদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের ধরে ট্রমা সেন্টারে আনা হবে। এখানে তাদের ১৪ দিন পর্যবেক্ষণে রাখব আমরা। তবে যে ছয়জনকে আনা হয়, তারা কিন্তু করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এমন নয়। সন্দেহমূলকভাবে আনা হয়েছে বলে তিনি জানান।

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নির্দেশে এদের নেয়া হয়েছে বিশেষ আইসোলেশন ইউনিটে। সেখানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া স্থানে নির্মাণাধীন ট্রমা সেন্টারে আইসোলেশন ইউনিট খোলা হয়েছে।

এদিকে করোনা প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুবনা ফারজানা জানান, বুধবার থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা সবাইকে আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে নেয়া হবে। যদি কেউ সরকারি নির্দেশনা না মানে তা হলে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

অমৃতবাজার/এমএএন