ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২০ | ২৪ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

খুলনায় বঙ্গবন্ধু ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের কাজ সমাপ্ত


মো. আল মামুন (খুলনা সংবাদদাতা)

প্রকাশিত: ০৪:১৫ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার
খুলনায় বঙ্গবন্ধু ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের কাজ সমাপ্ত ছবি- সংগৃহীত।

৪৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় রূপসা সামন্তসেনায় ৬৪ একর জমির উপর নির্মীত হয়েছে বঙ্গবন্ধু ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট। যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্স-এর মাধ্যমে আগামীকাল রবিবার উদ্বোধন করবেন।

এ ট্রিটমেন্ট প্লান্টে ৩৩ কিলোমিটার দূরে মোল্লাহাটের মধুমতি নদী থেকে পাইপের মাধ্যমে অপরিশোধিত পানি এনে প্রতিদিন গড়ে ১১ কোটি লিটার পরিশোধন করা হচ্ছে। পরবর্তীতে এ পানি তিনটি ক্লিয়ার ওয়াটার পাম্পের মাধ্যমে মেইন ট্রান্সমিশন লাইন হয়ে রূপসা নদীর তলদেশ দিয়ে খুলনা শহরে ৭টি ডিস্ট্রিবিউশন রিজার্ভার ও ১০টি অভার হেড ট্যাংকে প্রবেশ করছে। যার সুফল পাচ্ছেন ৪০ হাজার গ্রাহক।

ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলছেন, ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করেই এ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। পানির চাপও পর্যাপ্ত রয়েছে। ফলে ২/৩ তলায় ট্যাংকিতে উঠানোর জন্য বিদ্যুৎ খরচের প্রয়োজন হচ্ছে না।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, খুলনা পানি সরবারহ প্রকল্পটি ২০১১ সালের ২৭ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক কমিটি (একনেক) সভায় অনুমোদন মেলে। যার বাস্তবায়ন কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। সামন্তসেনায় ৪৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৪ একর জমির উপর এ প্লান্টটি নির্মীত হয়েছে।

তিনটি ক্লিয়ার ওয়াটার পাম্পের মাধ্যমে পরিশোধিত এ পানি মেইন ট্রান্সমিশন লাইনের মাধ্যমে রূপসা নদীর তলদেশ দিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে পাইপ লাইন স্থাপন করে শহরের ৭টি ডিস্ট্রিবিউশন রিজার্ভার ও ১০টি ওভার হেড ট্যাংকে আনা হচ্ছে।

স্থানগুলো হচ্ছে চরেরহাট, লবণচরা, নতুন বাজার, ছোট বয়রা, রায়ের মহল, বয়রা হাউজিং এবং দেয়ানা। বাকি তিনটি ওভারহেড ট্যাংক হচ্ছে বানিয়াখামার, মিরেরডাঙ্গা ও দৌলতপুরের পাবলা। এসব ডিস্ট্রিবিউশন রিজার্ভার ও ওভার হেড ট্যাংকে পানি সরবারহে ৩শ` মি. মি. থেকে ১২শ’ মি. মি. ব্যাসের ৩৩ কি. মি. ডাকটাইল আয়রন পাইপ স্থাপন করা হয়েছে।

এছাড়া ‘ডিস্ট্রিবিউশন পাইপ নেটওয়ার্ক’র মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাসের প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার পাইপ লাইন বসানো হয়েছে। যার মাধ্যমে নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে প্রায় ৪০ হাজার বাসগৃহে সুপেয় পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

খুলনা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচলক মো. আব্দুল্লাহ পিইঞ্জ এ প্রতিবেদকে বলেন, খুলনা শহরের সুপেয় পানির সঙ্কট দীর্ঘদিনের। এ সঙ্কট নিরসনের লক্ষে এই অঞ্চলের ‘সবচেয়ে বড়’ এই প্রকল্পের কাজ হাতে নেওয়া হয়।

অমৃতবাজার/এসএস