ঢাকা, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০ | ১৫ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সেন্টমার্টিনে ভাসমান ৪০ ফুট তিমি


টেকনাফ সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ১২:৫০ পিএম, ১৬ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার
সেন্টমার্টিনে ভাসমান ৪০ ফুট তিমি

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের কাছাকাছি সমুদ্রে বিশাল আকৃতির একটি ‘তিমি’ মাছ ভাসতে দেখা গেছে। তবে মাছটির কােনো নড়াচড়া না থাকায় সেটিকে মৃত বলে ধারণা করছে ভ্রমণে আসা পর্যটক ও স্থানীয়রা। বুধবার দুপুরে সেন্টমার্টিনের কাছাকাছি সমুদ্রে এই তিমি মাছটি ভাসমান অবস্থায় দেখা যায়। এটিকে বালেন প্রজাতির তিমি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

টেকনাফ সাব জোনের টুরিস্ট পুলিশের এসআই মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বুধবার সকালে পর্যটকবাহী জাহাজ কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইনে করে সেন্টমার্টিন যাওয়ার সময় মাঝ পথে সমুদ্রে একটি বিশাল আকৃতির একটি তিমি দেখা গেছে। এ সময় জাহাজে থাকা পর্যটকরা মোবাইল ফোনে এর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। তবে তিমি মাছটি মৃত ছিল সবাই ধারণা করছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মালেক বলেন, ‘দ্বীপের মাঝপথে সমুদ্রে তিমি মাছ দেখে সকলে ভিডিও ধারণ করেন। মৃত অবস্থায় এই মাছটি ভাসমান ছিল। ৪০ ফুট লম্বা এই তিমি মাছটি প্রথমে চোখে পড়ে পর্যটকদের। পরে মূহূর্তের মধ্যেই খবরটি ছড়িয়ে পড়লে জাহাজে থাকা পর্যটকদের সবাই ছুটে যান সেটিকে এক নজর দেখতে।’

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, ‘সমুদ্রে ভাসমান তিমির মৃতদেহের বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের কাছে শুনেছি। তবে সেটি তীরে ভেসে আসলে পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা রয়েছে।’

টেকনাফ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, ‘সমুদ্রে তিমির মৃতদেহের বিষয়টি শুনেছি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবো।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কক্সবাজার কার্যালয়ের সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার ড. এহসানুল করিম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি ‘বালেন’ প্রজাতির তিমি। এটি সাধারণ ৮০০-৯০০ মিটার গভীরতায় চলাফেরা ও বসবাসরত প্রাণী। এই প্রজাতিগুলো দলবদ্ধ হয়ে চলাফেরা করে থাকে।

তিনি বলেন, ‘ইতোপূর্বে ২০১৮ সালের ১৮ মে কুয়াকাটা বিচের কাছে এই ধরনের একটি তিমি মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, খাবারের সন্ধানে দলছুট হয়ে তিমি মাছটি সেন্টমাটিনের কাছাকাছি এসেছে এবং তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে মারা গেছে।

অমৃতবাজার/আরইউ