ঢাকা, সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

এখনই ফিরতে পারছেন না সেন্টমার্টিনে আটকা পড়ারা


অমৃতবাজার রিপোর্ট 

প্রকাশিত: ০৫:৩৩ পিএম, ১০ নভেম্বর ২০১৯, রোববার | আপডেট: ০৫:৩৪ পিএম, ১০ নভেম্বর ২০১৯, রোববার
এখনই ফিরতে পারছেন না সেন্টমার্টিনে আটকা পড়ারা

 

বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’। ফলে নেমেছে মহা বিপদসংকেত। উপকূলীয় এলাকার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্র থেকে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। কিন্তু লঞ্চ চলাচলের উপযোগী অনুকূল আবহাওয়া না থাকায় সেন্টমার্টিনে আটকা থাকা পর্যটকরা আজই ফিরতে পারছেন না।

আজ রোববার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত আবহাওয়া অধিদফতরে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে বন্ধ থাকা দেশের বিমান ও ফেরি চলাচলে কোনো বাধা নেই। তবে লঞ্চ, মাছ ধরা নৌকা-ট্রলার এখনই চলাচল করতে পারবে না। লঞ্চ চলাচলের উপযোগী অনুকূল আবহাওয়া না থাকায় সেন্টমার্টিনে আটকা থাকা পর্যটকরা আজই ফিরতে পারছেন না।

শামসুদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘বিমান যোগাযোগ স্বাভাবিকভাবে চালানো যাবে। বিমান যোগাযোগে আর কোনো অসুবিধা নেই।’

এদিকে সেন্টমার্টিনে প্রায় ১২শ পর্যটক আটকে আছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সেন্টমার্টিনে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত চলছে। এই অবস্থায় সেন্টমার্টিন থেকে লঞ্চ চলাচল করে না। ৩ নম্বর সতর্কতা উঠে গেলে চলাচল করবে।’

সেন্টমার্টিন পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আজমীর ইলাহি বলেন, ‘দ্বীপে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছে।’

সেন্টমার্টিন হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মুজিবুর রহমান বলেন, ‘ইউএনও’র নির্দেশে দ্বীপের আটকা পড়া পর্যটকদের ডিসকাউন্ট দেওয়া হচ্ছে। সে অনুযায়ী সবার কাছ থেকে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে দ্বীপের পর্যটন ব্যবসায়ীদের দেড় কোটি টাকার বেশি লোকসান হয়েছে।’

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘দ্বীপের আটকা পড়া পর্যটকরা যাতে কোনোভাবে হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখা হচ্ছে। পর্যটকরা যাতে নিরাপদে থাকে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্তক অবস্থানে রয়েছেন। ফের জাহাজ চলাচল শুরু হলে আটকা পড়া পর্যটকদের টেকনাফ নিয়ে আসা হবে।’

অমৃতবাজার/এএস