ঢাকা, সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বিপদ কাটার পর আশ্রয় কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরছে মানুষ


অমৃতবাজার রিপোর্ট 

প্রকাশিত: ০২:১৭ পিএম, ১০ নভেম্বর ২০১৯, রোববার
বিপদ কাটার পর আশ্রয় কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরছে মানুষ

 

গভীর সাগরে সৃষ্ট প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বাংলাদেশের উপকূল আঘাত হেনে দুর্বল হয়েছে। দুপুর নাগাদ এটি ঢাকা থেকে কুমিল্লা হয়ে ভারতে প্রবেশ করবে। এর মধ্যে বিপদের আশংকা কমে যাওয়ায় আশ্রয় কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরছেন দুর্গত মানুষ।

রোববার সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মহসীন বিষয়টি জানান।

এদিকে মংলা-পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ উপকূলীয় ৯ জেলায় জারি হওয়া ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত, চট্রগ্রাম বন্দরে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ও কক্সবাজারে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে সবখানেই ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

মো. মহসীন বলেন, ‘আশ্রয় কেন্দ্র থেকে মানুষ বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আমরা সব ধরনের বিধি-নিষেধ তুলে নিয়েছি, মানুষের বাড়ি ফিরতে আর কোনো বাধা নেই। আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা মানুষকে বাড়ি ফিরতে সহায়তা করতে স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় প্রশাসন।’

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা, খুলনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা ৫ হাজার ৫৮৮টি। ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বাংলাদেশে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসার পরিপ্রেক্ষিতে এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ২১ লাখ ৬ হাজার ৯১৮ মানুষ আশ্রয় নেয়।

এর আগে গতকাল শনিবার পায়রা ও মংলা সমুদ্রসহ ৯ জেলায় (ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা) ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে ৯  নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছিলো।

অমৃতবাজার/এএস