ঢাকা, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯ | ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যায় ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৩:৪৮ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার | আপডেট: ০৩:৫০ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার
গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যায় ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় গৃহবধূ আরতি রানীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।


মঙ্গলবার দুপুরে জয়পুরহাটের জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. এবিএম মাহমুদুল হক এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার মারমা গ্রামের সোহেল তালুকদার, দেওড়া সোনারপাড়া গ্রামের আফজাল হোসেন, দেওড়া গুচ্ছগ্রামের রাহিন, দেওড়া সাখিদারপাড়ার ফেরদৌস আলী, দেওড়া সোনারপাড়ার মজিবর রহমান, জগতি গ্রামের রুহুল আমীন ও দেওড়া গুচ্ছগ্রামের আজিজার রহমান।

জয়পুরহাট জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফিরোজা চৌধুরী জানান, ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর রাতে দেওড়া আশ্রয়ণকেন্দ্রের বাসিন্দা- উজ্জ্বল মহন্তের স্ত্রী আরতি রানীকে পরিকল্পিতভাবে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর আসামিরা গণধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

পরে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পথে আরতি রানী মারা যান। এ ঘটনায় ১০ অক্টোবর আরতি রানীর স্বামী উজ্জ্বল মহন্ত বাদী হয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত সাতজনকে আসামি করে আক্কেলপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

মামলায় দীর্ঘ শুনানির পর জয়পুরহাটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সব আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামি সোহেল ও ফেরদৌসকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং অন্য সবার এক লাখ টাকা করে জরিমানারও আদেশ দেন।

সরকারপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন জয়পুরহাট জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফিরোজা চৌধুরী এবং বাদীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলামসহ আরও পাঁচ আইনজীবী।

অমৃতবাজার/ কেএসএস