ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯ | ৩০ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় ভাড়া বাড়িতে নিখোঁজ এনজিও কর্মীর পচা লাশ


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১০:৪৯ পিএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার
বগুড়ায় ভাড়া বাড়িতে নিখোঁজ এনজিও কর্মীর পচা লাশ

বগুড়ার কাহালুতে এসএম শাহরিয়ার (৪৮) নামে এক এনজিও কর্মীকে মাথায় আঘাতে হত্যা করা হয়েছে।

নিখোঁজের দু`দিন পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার দামাই গ্রামে আমজাদ হোসেন নামে এক ব্যক্তির ভাড়া বাড়ির তালাবদ্ধ ঘরে তার পচন ধরা লাশ পাওয়া যায়।

পুলিশ দরজার তালা ভেঙে চট দিয়ে ঢেকে রাখা লাশটি উদ্ধার করে। ঘটনার পর বাড়ির লোকজন দরজায় তালা দিয়ে পালিয়ে যায়।

কাহালু থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ হাসান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করলেও হত্যার কারণ জানাতে পারেননি।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, নিহত এসএম শাহরিয়ার ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার হামদানপুর গ্রামের মৃত মনিরুদ্দিন সরদারের ছেলে। তিনি ‘উদ্দীপন’নামে একটি বেসরকারি সংস্থার বগুড়ার কাহালু শাখার এফপিও পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি স্ত্রী, আট বছরের মেয়ে ও চার বছরের ছেলেকে নিয়ে কাহালুর মহিলা কলেজ এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

মঙ্গলবার সকালে তিনি অফিস থেকে কিস্তি আদায় করতে কাহালুর শিকড় গ্রামে যান। দুপুরে সহকর্মী শহিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলার পর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর থেকে নিখোঁজ হন। বিষয়টি কাহালু থানায় অবহিত করা হয়।

কাহালু থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ হাসান জানান, দামাই গ্রামে মিলু হাজির বাড়িতে আমজাদ হোসেন ও তার ছেলে রাজু পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন। বৃহস্পতিবার বিকালের দিকে ওই বাড়ি থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হতে থাকে। গ্রামবাসী টের পেয়ে দেখেন বাড়ির প্রধান দরজায় তালা।

তিনি বলেন, খবর পেয়ে তালা ভেঙে ওই বাড়িতে ঢুকলে একটি ঘরে চট দিয়ে ঢাকা লাশ দেখতে পাওয়া যায়। পরে তালা ভেঙে ঘরে নিখোঁজ এনজিও কর্মী এসএম শাহরিয়ারের পচন ধরা লাশ পাওয়া যায়।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ভারি কিছুর আঘাতে মাথা থেঁতলে তাকে হত্যা করা হয়েছে। বাড়ির ভাড়াটিয়া আমজাদ, তার ছেলে ও পরিবারের সদস্যদের কাউকে পাওয়া যায়নি।

তার ধারণা, এরাই ওই এনজিও কর্মীকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।

তাৎক্ষণিকভাবে এ হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা সম্ভব নয়নি। তবে গ্রামবাসীর কেউ বলছেন, ঋণ বা নারী সংক্রান্ত কোনো ঘটনায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।

অমৃতবাজার/ কেএসএস