ঢাকা, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

উলাশীর নীলকুঠি পার্কে বোমা হামলা, ভাঙচুর


বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি:

প্রকাশিত: ১২:৫৫ পিএম, ২৬ জুন ২০১৯, বুধবার
উলাশীর নীলকুঠি পার্কে বোমা হামলা, ভাঙচুর

 

যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় একমাত্র আধুনিকতম বিনোদন পার্কটি এখন ঝুকির মুখে নীলকুঠি নামের এই পার্কটিতে মঙ্গলবার(২৫/০৬/২০১৯ইং) তারিখ সকাল ৮ টার দিকে শতাধিক দুর্বৃত্ত নীলকুঠিতে হামলা চালায়। তারা প্রথমে বিনোদন কেন্দ্রর্টিকে আসা পর্যটকদের উপর বেশ কয়েকটি বোমা নিক্ষেপ করে। এতে অনেকে আহত হয়।

জীবন বাঁচতে তারা পার্শ্বর্তী বাড়ী ঘরে আশ্রয় নেয়। পরে তারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য, বিনোদন কেন্দ্রে নির্মিত শৈল্পীক নিদর্শন গুলি ভাংচুর, শাতাধিক বনজ, ফলজ গাছ কেটে ফেলে। এতে বিনোদন কেন্দ্রটির প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে নীলকুঠি পার্কের স্বত্ত্বাধিকারী এবং উলাশী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তরিকুল ইসলাম মিলন সাংবাদিকদের জানান।

তিনি আরও বলেন পার্ক সংলগ্ন পার্শবর্তী ঝিকরগাছা থানার নির্বাস খোলা ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের ২নং ওয়ার্ডের ওয়ার্ড মেম্বার আইনাল এর নির্দেশে এই তান্ডব চালানো হয়। বিএনপি-জামায়াত তুষ্ট আইনাল লোক দ্বারা ইতোপুর্বে উলাশী বাজারে তার উপর বোম বিস্ফোরন ঘটিয়ে হত্যা চেষ্টা চালায়।

আল্লাহর অশেষ রহমতে সে সময় আমি বেঁচে যাই। আবেগ ঘন কন্ঠে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, অত্র এলাকায় শুধুমাত্র মানুষের বিনোদনের কথা চিন্তা করে সম্পুর্ন নিজস্ব অর্থায়নে পার্কটি নির্মান করেছি। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের সহযোদ্ধা হয়ে কাজ করে চলেছি। বিএনপি-জামায়ত তা ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। পার্কের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কয়েকজন হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়।

এ হামলার ঘটনায় ক্ষতিপুরনের দাবী জানিয়ে চিহ্নিতদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে পার্কের স্বত্তাধীকারী তরিকুল ইসলাম মিলন জানান। এদিকে হামলার পর পরই ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক পুলিশের একটি দল সেখানে পৌছান। পুলিশের আসার খবর টের পেয়ে বোম হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে ঝিকরগাছা থানা, নাভারন সার্কেলের পুলিশ কর্মকর্তাগন শার্শা থানার পুলিশ এবং হাইওয়ে পুলিশের টহলদল সেখানে সার্বক্ষণিক পাহারায় রয়েছেন।

অমৃতবাজার/রাসেল/এএস