ঢাকা, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯ | ২ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নরসিংদীতে করলা চাষের বাম্পার ফলন ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার অভিযোগ


নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি,

প্রকাশিত: ০৯:০১ পিএম, ১৬ জুন ২০১৯, রোববার
নরসিংদীতে করলা চাষের বাম্পার ফলন ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার অভিযোগ

নরসিংদীর তিন উপজেলায় এবার করলার বাম্পার ফলন হওয়ায় চাষির মুখে সন্তুষ্টির হাসি ফুটেছে। ফলন ভালো হওয়ায় দূরদূরান্তের পাইকাররা এসে করলা কিনছেন। এরপর তারা ট্রাকযোগে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছেন।

আবার স্থানীয় পাইকাররা কৃষকের কাছ থেকে ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা মণ দরে করলা কিনছেন। তারাও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা করলা ব্যবসায়ীদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করছেন। জানা গেছে, বিঘাপ্রতি খরচ হয়েছে ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা। ১ বিঘা জমির করলা বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকায়।

দাম কিছুটা কম থাকায় বর্তমানে চাষিরা হতাশায় ভোগছেন। তবুও কেউ করলার খেত পরিচর্যার কাজ করছেন, কেউ খেতের করলা তুলছেন, আবার কেউ বিক্রির জন্য আড়তদারের কাছে নিয়ে যাচ্ছেন।

রায়পুরা উপজেলার বারিচা এলাকার পাইকার নাজমুল ইসলাম জানান, ‘বিভিন্ন গ্রামের কৃষকের কাছ থেকে শত শত মণ করলা কিনে ঢাকা কারওয়ান বাজারে বিক্রি করার জন্য নিয়ে যায়। সেখানে রাতে বিভিন্ন জেলা থেকে করলা এনে পাইকাররা খুচরা বিক্রি করেন। এ বছর করলার ব্যবসা করে আমরা যথেষ্ট লাভবান হয়েছি।’ কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে নরসিংদীর তিন উপজেলায় প্রায় অধিকাংশ জমিতে করলার চাষাবাদ হয়েছে। কৃষকের মাঝে প্রয়োজনীয় সার, বীজ, প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দেওয়ায় এ বছর করলার বাম্পার ফলন হয়েছে।

উপজেলার দোকন্দি গ্রামের করলা চাষি বাছেদ মিয়া, আড়িয়াল খাঁ নদীর পাশের গ্রামের শাহীন মিয়া জানান, তারা প্রত্যেকে এ বছর ১ বিঘা করে জমিতে করলার চাষ করেছেন। বিঘাপ্রতি খরচ হয়েছে ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা। ১ বিঘা জমির করলা ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।

উপজেলা কৃষি অফিসের সূত্রে জানা যায়, করলা চাষ এ বছর উপজেলার কৃষকের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিলেও বাজারে কিছুটা দাম কম হওয়ায় কৃষকদের মাঝে একটু মনক্ষুন্ন দেখা যাচ্ছে। যেহেতু প্রতিনিয়ত আসছে বৃষ্টি। বৃষ্টি কমলে দাম একটু বাড়বে বলে আশা করা যায়।

অমৃতবাজার/রুদ্র/এএস