ঢাকা, সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯ | ২ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মুক্তিপণ দিয়ে ফিরলেন অপহৃত ইবি শিক্ষার্থী মামুন


ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০১:০৩ পিএম, ১৩ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার
মুক্তিপণ দিয়ে ফিরলেন অপহৃত ইবি শিক্ষার্থী মামুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অপহৃত শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ্ আল মামুনকে ফিরে পেয়েছে তার পরিবার। তবে মুক্তিপণের টাকা পেয়েই তাকে ফেরত দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার। বুধবার রাত ১০টার দিকে সাতক্ষীরার বিনেরপোতা এলাকার বাইপাস সড়কের পাশে অপহরণকারীরা হাত-পা বেঁধে ফেলে যায় মামুনকে।

জানা যায়, কুষ্টিয়া থেকে সাতক্ষীরার গ্রামের বাড়িতে ফেরার পথে গত শনিবার দুপুরে যশোর থেকে নিখোঁজ হন ইবির আল কোরআন বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ্ আল মামুন। সেই থেকেই তার কোনো সন্ধান মিলছিল না। তবে সোমবার রাত ১২টার দিকে ও মঙ্গলবার সকালে মামুনকে ফেরত পেতে হলে তার পরিবারের কাছে মোবাইলে ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা।

ইবি ছাত্র মামুন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়নের ঘোলা গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে।

মামুনের বাবা জানান, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মামুন বাড়িতে ফোন করে জানায় সে সাতক্ষীরায় রয়েছে। তখন মোটরসাইকেল নিয়ে তাকে বাড়িতে আনা হয়।

মামুন জানান, যশোর পর্যন্ত আসার পর একটি মাইক্রোবাস স্বল্প ভাড়ায় তাকে সাতক্ষীরায় নামিয়ে দেবে বলে জানায়। তখন মামুন মাইক্রোবাসটিতে ওঠেন। এ সময় গাড়িতে আরও তিনজন ছিল। যশোর ঝিকরগাছা পর্যন্ত সচেতন থাকলেও তারপর থেকে অচেতন হয়ে পড়েন। চারদিন তাকে একটি ছোট ঘরের মধ্যে আটকে রাখা হয়েছিল। পাউরুটি ও কলা খেতে দিয়েছে তারা।

মুক্তিপণের বিষয়ে মামুন বলেন, ১০ হাজার টাকা বিকাশে দিয়েছিলাম। এর বেশি দিইনি। যখন গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে যায় তখন তারা তিনজন ছিল।

উল্লেখ্য, আব্দুল্লাহ্ আল মামুন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আল কোরআন বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ও ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী একটি মসজিদের ঈমাম। নিখোঁজ হওয়ার পর ইবি থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন মামুনের বাবা সিদ্দিক মোল্লা।

অমৃতবাজার/আরএইচ