ঢাকা, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯ | ৬ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মাদারীপুরে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩৫, আটক ১১


মাদারীপুর প্রতিনিধি,

প্রকাশিত: ০৯:৫৬ পিএম, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার
মাদারীপুরে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩৫, আটক ১১

 

মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পেয়ারপুর ইউনিয়নের মধ্য গাছবাড়িয়া এলাকায় আওয়ামীলীগ মনোনীত মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছে। এই ঘটনায় ১১ জনকে আটক করে পুলিশ। বুধবার সকাল ৮টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত দফায় দফায় এই দুই গ্রুপের সংঘর্ষ চলে। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজল কৃষ্ণ দে’র সমর্থকরা সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নের মধ্য গাছবাড়িয়া গ্রামের তালুকদারবাড়ী দোকানের সামনে পোস্টার টাঙাতে ছিল। এসময় বিদ্রোহী প্রার্থী ও সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী ছোট ভাই এ্যাড. ওবায়দুর রহমান কালুর সমর্থক লাল মিয়া মাতুব্বর ও শহিদ মাতুব্বরের লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়। পরে দুই গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে দুই গ্রুপের অন্তত ৩৫ জন আহত হয়।

আহতরা হলেন গাছবাড়িয়া গ্রামের তালিব মাতুব্বর (১৬), শান্ত চৌকিদার (২০), পিয়াল মোল্লা (২২), সজল হাওলাদার (১৪), নুর জামাল সর্দার (৩০), আমিনুর মাতুব্বর (৩০), আব্দুল চৌদিকার (৪৫), সাকিব মাতুব্বর (২০), আয়নাল মাতুব্বর (৩৮), বাদল মাতুব্বর (৪৫), নাসির বেপারি (৩২), সাব্বির শেখ (১৮),  মহিউদ্দিন শেখ (৪০), ইকবাল চৌকিদার (২২), বাকা চৌকিদার (৪০), সেরাজুল খান (৩৩), শিউলী বেগম (৩২) সহ অন্তত প্রমুখ। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন গুরুতর জখম হয়েছে। আহতদের মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খরব পেয়ে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে যে কোন সময় আবারও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

এব্যাপারে মাদারীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মূলত নৌকার সমর্থক মোজলেম আকন, লাভলু তালুকদার গ্রুপের লোকজনের সাথে লাল মিয়া মাতুব্বর, শহিদ মাতুব্বর, আলম ফকির গ্রুপের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পরিস্ত্রিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১১ জন আটক করা হয়েছে।

অমৃতবাজার/শফিক/এএস