ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯ | ১ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ধানক্ষেতে হাঁস: প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩


চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৯:৪১ পিএম, ১১ মার্চ ২০১৯, সোমবার | আপডেট: ১১:১৭ পিএম, ১১ মার্চ ২০১৯, সোমবার
ধানক্ষেতে হাঁস: প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩

যশোরের চৌগাছায় হাঁসের বাচ্চা ধানক্ষেত নষ্ট করার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় মিজানুর রহমান (৫০) ও রোকেয়া বেগম (৪২) নামে স্বামী-স্ত্রী মারাত্মক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়ে চৌগাছা হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন মিজানুরের বৃদ্ধপিতা সুলতান আহমেদ (৭০)।

আহত মিজানুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসায় যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে জাহানারা বেগমের একটি হাত ভেঙে যেতে পারে। তারা সবাই উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। সোমবার দুপুরে উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

চৌগাছা হাসপাতালে ভর্তি জাহানারা বেগম অভিযোগ করেন গত ৮ মার্চ (শুক্রবার) মিজানুর রহমানের হাঁসের বাচ্চা একই গ্রামের আলমগীর হোসেনের কচুক্ষেত (ইরি কচু) নষ্ট করে।

এ ঘটনায় উভয়পক্ষ বিবাদে জড়িয়ে পড়ে মিজানুর রহমান আহত হয়ে চৌগাছা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। সে সময় উভয়পক্ষই চৌগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ করলে ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) রবিউল ইসলাম বিষয়টি মিমাংশা করার জন্য উভয়পক্ষকে মঙ্গলবার থানায় যাওয়ার জন্য বলেন।

কিন্তু সোমবার দুপুরে তার স্বামী মিজানুর রহমান মাঠ থেকে বাড়ি আসার সময় নিজের বাড়ির গেইটের সামনে একই গ্রামের সৈয়দ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন, তার ছেলে আকাশ ও সোহাগ এবং কাব্বার মন্ডলের ছেলে নজরুল ইসলাম পরিকল্পিতভাবে তার স্বামীর উপরে হামলা করে। এসময় আমি  (জাহানারা) ও আমার শ্বশুর (সুলতান) ঠেকাতে গেলে আমাদেরকে মারপিট করে আহত করে চলে যায়।

যাওয়ার সময় তারা বলে যায় ‘রাতের মধ্যে গ্রাম ছাড়বি, নতুবা খুন করে ফেলব।’ পরে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে চৌগাছা হাসপাতালে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার স্বামী মিজানুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার করেছে।

চৌগাছা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আওরঙ্গজেব বলেন জাহানারার একটি হাতে মারাত্মক আঘাত লেগেছে। এক্সেরে ছাড়া ভেঙে গেছে কিনা বলা যাচ্ছে না। আর মিজানুর রহমানের মাথাসহ বিভিন্ন স্থানে আঘাত থাকায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

চৌগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রবিউল ইসলাম বলেন আহতরা বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। আমি বিষয়টি মিমাংসা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু একটি পক্ষ আমার কথা শুনিনি। এখন যারা দোষি তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অমৃতবাজার/ফিরোজ/এএস