ঢাকা, বুধবার, ২০ মার্চ ২০১৯ | ৬ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহের ১১টি আসনে বিভিন্ন দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ২৬৮ জন


ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৯:০৬ পিএম, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, বুধবার
ময়মনসিংহের ১১টি আসনে বিভিন্ন দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ২৬৮ জন

ময়মনসিংহ জেলার ১১ টি সংসদীয় আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন দলের হয়ে ২৬৮ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী ফরম সংগ্রহ করেছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের ১৬৬ জন, বিএনপি’র ৭২ জন, জাতীয় পার্টি (এরশাদ) ২৩জন ও সিপিবির ২ জন। এছাড়াও জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) একজন, নাগরিক ঐক্যের একজন, ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশের (চরমোনাই) একজন ও বাংলাদেশ জমিয়তে ইসলামের একজন, খেলাফত মজলিসের একজন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বলে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর সূত্রে জানা গেছে।

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে সর্বমোট ২৩ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের ১৪জন, বিএনপি’র ২ জন ও জাতীয় পার্টির ২ জন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হলেন- বর্তমান এমপি জুয়েল আরেং, উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ খান, কবিরুল ইসলাম বেগ, অধ্যাপক কবিরুল ইসলাম, জাহিদ আহমেদ সারোয়ার জাহান জাহাঙ্গীর, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আনোয়ার হোসেন, ইসমাইল হোসেন, নুরুল ইসলাম রানা, ডা. সি এন সরকার চন্দন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট পিযুষ কান্তি সরকার, অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন, ডাঃ আসাদুজ্জামান আকন্দ সাগর, অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন মিনার ও টিপু সুলতান।

বিএনপির প্রার্থীরা হলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সাবেক এমপি আফজাল এইচ খান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আজগর, খালেদা জিয়া  মুক্তি পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সালমান ওমর রুবেল, ব্যারিষ্টার তমিজ উদ্দিন, মফিজ উদ্দিন ও হানিফ মোহাম্মদ সাকের উল্লাহ।

জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা হলেন- জাহিদুল ইসলাম পাপ্পু ও অ্যাডভোকেট সোহরাব উদ্দিন।

ময়মনসিংহ-২(ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনে মনোনয়ন ক্রয় করেছেন ২৯ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ১৭জন, বিএনপির ৫জন, জাতীয় পার্টির ৪জন মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হলেন, বর্তমান এমপি শরীফ আহম্মেদ, সাবেক এমপি হায়াতোর রহমান খাঁন বেলাল, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য শাহ কুতুব চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ, তারাকান্দা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যডভোকেট ফজলুল হক, জাতীয় পরিষদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম ফেরদৌস জিলু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা এমএ হাকিম সরকার, কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগ সাবেক সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খাঁন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল করিম রাসেল, জেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি আফতাব উদ্দিন, সাবেক বিএমএ সভাপতি প্রফেসর ডাঃ সোহরাব আলী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আব্দুর রব, ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক, তারাকান্দা যুবলীগ সভাপতি মোঃ শাছুল আলম রাজু, আওয়ামী লীগ নেতা রুবেল চৌধুরী, অধ্যক্ষ জামাল উদ্দিন ও জেলা ছাত্রলীগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ জাহান চৌধুরী শাহীন।

বিএনপির প্রার্থীরা হলেন, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক এমপি শাহ্ শাহীদ সারোয়ার, উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক তারাকান্দা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক ফুলপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সাবেক এমপি আবুল বাসার আকন্দ ও ফুলপুর উপজেলা বিএপির সাবেক সভাপিত অ্যাড. সৈয়দ এনায়েতুর রহমান, তারাকান্দা বিএনপি নেতা মাসুদ রানা খান।

জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা হলেন, ফুলপুর উপজেলা শাখা জাপার সদস্য সচিব এনায়েত হোসেন মন্ডল, তারাকান্দা উপজেলা শাখা জাপার সদস্য সচিব এমদাদ হোসেন খান, জাতীয় ছাত্র সমাজ নেতা নুর মোহাম্মদ ও জাতীয় পার্টি মঞ্জু গ্রুপের মুক্তিযোদ্ধা শেখ আলালউদ্দিন।

এছাড়া নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশ (চরমোনাই) মুফতী গোলাম মওলা ভূইয়া ও বাংলাদেশ জমিয়তে ইসলামের মাওলানা খায়রুল ইসলাম মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়েছেন ২৪জন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের ১৬জন ও বিএনপি’র ৮জন। সিপিবি’র একজন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হলেন, জেলা আ’লীগের সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা বর্তমান এমপি নাজিম উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডাঃ মতিউর রহমান, আ’লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহ- সম্পাদক মোর্শেদুজ্জামান সেলিম, জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ড. সামিউল আলম লিটন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শরীফ হাসান অনু, জেলা আ’লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক এ.কে.এম আব্দুর রফিক, সদস্য নাজনীন আলম, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ভিপি বাবুল, পৌরসভার মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আ’লীগের সহ সভাপতি অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আহাম্মদ খান সেলভী, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাবেয়া ইসলাম ডলি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য আবু কাউছার চৌধুরী রন্টি, চিত্রনায়িকা জ্যোতিকা জ্যোতি, তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা এম.এ মামুন।

বিএনপির প্রার্থীরা হলেন, জাতীয় নির্বাহী সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসাইন, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক উপজেলা চেয়ারম্যান আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণ, জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল হক, ড্যাব নেতা ডা. সেলিম আহম্মেদ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শরাফ উদ্দিন খান পাঠান, হাফেজ আজিজুল হক, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি মো. সামছুল হক ভিপি শামছু, জাসাস নেতা সেলিম বালা।

সিপিবি থেকে একক প্রার্থী  কমরেড হারুন আল বারী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ১৬জন মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের ১০জন, বিএনপির ৫জন ও জাতীয় পার্টির একজন ও সিপিবির একজন।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, তার ছেলে মোহিত উর রহমান শান্ত, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, মহানগর আ’লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এবিএম নুরুজ্জামান খোকন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান, মুকুল নিকেতনের সাবেক অধ্যক্ষ আমীর আহাম্মদ চৌধুরী রতন, সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অর্জনা কবির।

বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, ড্যাবের মহাসচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, দক্ষিণ  জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ, নগর বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম শফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম এ হান্নান খান, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর মাহমুদ আলম।

জাতীয় পার্টি থেকে একক প্রার্থী প্রেসিডিয়ামের সদস্য বর্তমান সংসদ সদস্য বেগমম রওশন এরশাদ। সিপিবি থেকেও একক প্রার্থী ময়মনসিংহ শাখার সভাপতি কমরেড অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাত।

ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনের মনোনয়নের প্রত্যাশায় ২৪জন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের ১৬জন, বিএনপির ৫জন, জাতীয় পার্টি একজন, খেলাফত মজলিসের একজন, ওয়ার্কাস পার্টির একজন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হলেন, সাবেক এমপি কে এম খালিদ বাবু, আব্দুল হাই আকন্দ, অ্যাডভোকেট বদর আহমেদ, বিল্লাল হোসেন সরকার, কৃষিবিদ নজরুল ইসলাম, তাহমিনা জাকারিয়া, মোহাম্মদ তারেক, দেবাশীষ ঘোষ বাপ্পী, আব্দুস সামাদ মাস্টার, আজিজুল হক ইদু, এমদাদুল হক যদু, হোসেন আলী সরকার, খন্দকার আহসানুল কবির সুমন, সত্য স্বপন চক্রবর্তী, রেজাউল করিম রেজা ও আহসান মোহাম্মদ আজাদ।

বিএনপির প্রাথীরা হলেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, তার ছোট ভাই জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জাকির হোসেন বাবলু, উপজেলা চেয়ারম্যান জাকারিয়া হারুন, এখলাছুর রহমান জুয়েল ও মাহবুবুল আলম ফরহাদ।

জাতীয় পার্টির থেকে কেন্ত্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব বর্তমান এমপি সালাহউদ্দিন আহম্মেদ মুক্তি, ওয়ার্কাস পার্টির জাকির হোসেন বাবুল ও খেলাফত মজলিস থেকে মুফতি হাবিবুর রহমান মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।

ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন ২০জন। এরমধ্যে আ’লীগের ১৪ জন, বিএনপি’র ৩ জন ও জাতীয় পার্টির ৩ জন।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি বর্তমান এমপি অ্যাডভোকেট মোঃ মোসলেম উদ্দিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, আ’লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দৈনিক আজকের বাংলাদেশের সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক, জেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এম এ কদ্দুছ, উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুল মালেক সরকার, প্রফেসর ড. আব্দুল মান্নান আকন্দ, পৌর আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ গোলাম মোস্তফা, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট কে বি এম আমিরুল ইসলাম খাইরুল, জেলা আ’লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ মফিজ উদ্দিন মন্ডল, ইউপি চেয়ারম্যান এস এম সাইফুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম তোতা, স্বেচ্ছাসেবকলীগের মোঃ গোলাম রব্বানী, আ’লীগের ইয়াসিন আলী, যুবলীগের গোলাম সারওয়ার জাকির।

বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার শামছউদ্দিন আহমদ, জেলা বিএনপির সদস্য আখতারুল আলম ফারুক ও মোঃ আব্দুল আজিজ।

জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা হলেন, জাপা চেয়ারম্যানের সাবেক উপদেষ্টা ডাঃ কে আর ইসলাম, মাহফিজুর রহমান বাবুল ও শ্রমিক পার্টি কেন্দ্রীয় নেতা আঞ্জু আরা বেগম।

ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে মনোনয়নের প্রত্যাশায় ২৭জন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের ১৬জন, বিএনপির ৫জন, জাতীয় পার্টি ৫জন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হলেন, সাবেক এমপি ও আ’লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য হাফেজ মাওলানা রুহুল আমিন মাদানী, জেলা আ’লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও সাবেক এমপি আব্দুল মতিন সরকার, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট রেজা আলী, ত্রিশাল উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও ত্রিশাল পৌরসভার মেয়র এ বি এম আনিছুজ্জামান আনিছ, সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ এন এম শোভা মিয়া আকন্দ, জেলা আ’লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নবী নেওয়াজ সরকার, উপজেলা আ’লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীন খান, সাবেক সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক সবুজ, আশরাফুল ইসলাম মন্ডল, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডিজি এম হাবিবুর রহমান খাঁন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জুয়েল সরকার, আ’লীগ নেতা ছাইফুল ইসলাম মানিক, যুবলীগ নেতা শাহিন পারভেজ লিটন, কেন্দ্রীয় আ’লীগের উপ কমিটির সদস্য নুরুল আমিন মিলন পাঠান ও সাংবাদিক শরিফ তালুকদার।

বিএনপির প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলহাজ জয়নাল আবেদীন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি শহিদুল আমিন খসরু, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আমিনুল ইসলাম আমিন সরকার, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি শাহাবুল ইসলাম।

জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা হলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা ও জেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. কে আর ইসলাম, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুরুজ আলী মন্ডল, জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক গোলাম সারুয়ার তপন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিদুল আলম মহিত।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একমাত্র প্রার্থী মাওলানা আজিজুর রহমান।

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ^রগঞ্জ) আসনে একাদশ সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন ক্রয় করেছেন ২১ জন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের ১০ জন, বিএনপির ১০ জন ও জাতীয় পার্টির একজন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হলেন, আ’লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি আব্দুছ ছাত্তার, উপজেলা চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান সুমন, অ্যাডভোকেট শাহ্ মঞ্জুরুল হক, বেক্সিকো ফামাসিটিকেল কোম্পানির পরিচালক ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবি পরিষদ আহবায়ক কমিটির সদস্য সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি ও যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবোনালের প্রসিকিউটর আব্দুর রহিম বিপিএম, যুবলীগের আহবায়ক আবু বকর সিদিক দুলাল ভূইয়া, আমিন এইচ ইউ সিদ্দিকি, জেলা আ’লীগের সদস্য তরিকুল হাসান তারেক, লায়ন লুৎফুলাহ গণি টিটু ও শফিউল্লাহ উজ্জল।

বিএনপি’র প্রার্থীরা হলেন, সাবেক এমপি শাহ্ নূরুল কবীর শাহীন, প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু, উত্তর জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি কামরুজামান লিটন, অ্যাডভোকেট আওরঙ্গজেব বেলাল, আমিনুল ইসলাম ভূইয়া মনি, ফিরুজ আহামেদ বুলু, ফরিদ উদ্দিন, হারুন অর রশিদ ও এমদাদুল হক মিলন।

জাতীয় পার্টির মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পকীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বর্তমান এমপি ফখরুল ইমাম।

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে ২৮জন মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের ২১জন, বিএনপির ৫জন ও জাতীয় পার্টির ২জন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হলেন, বর্তমান এমপি মো. আনোয়ারুল আবেদীন খাঁন তুহিন, সাবেক এমপি ও উপজেলা আ’লীগের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব:) আব্দুস সালাম, জেলা সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. কবির উদ্দিন ভূইয়া, ডিএজি ও সিনিয়র আইনজীবি মো. আব্দুল হাই, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মালেক চৌধুরী স্বপন, আ’লীগ কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য ড. এ. আর খাঁন, এডি এম সালাহউদ্দিন হুমায়ূন, অধ্যক্ষ শামছুল বারী, আ’লীগ কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোস্তাফিজুর রহমান খান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মতিন ভূইয়া, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম ভূইয়া, ইউপি চেয়ারম্যান মো. এমদাদুল হক ভূইয়া, বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. শেখ জাহাঙ্গীর আলম বুলবুল, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. শাহজাহান কবির সুমন, গাজীপুর মহানগর আ’লীগের উপদেষ্টা আলহাজ্ব জালাল উদ্দিন মাস্টার, স্বেচ্ছাসেবকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মো. মজিবুর রহমান স্বপন, অধ্যক্ষ আতিকুর রহমান হাদিস, আ’লীগ নেতা মো. জামাল উদ্দিন, নান্দাইল উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মো. শহীদুল্লাহ শহীদ, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম ও মো. সনজিব ইসলাম।

বিএনপির প্রার্থীরা হলেন, জাতীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি খুুররম খাঁন চৌধুরী,  সৌদী আরব বিএনপি’র সভাপতি এ কে এম রফিকুল ইসলাম, সাবেক পৌরমেয়র এএফএম আজিজুল ইসলাম পিকুল, তথ্য ও প্রযুক্তিবিদ ইয়াসের খাঁন চৌধুরী ও বিএনপি নেতা মালয়েশিয়া প্রবাসী মামুন বিন আব্দুল মান্নান।

জাতীয় পার্টির প্রাথীরা হলেন, উপজেলা সভাপতি মোঃ হাসনাত মাহমুদ তালহা ও তার ছোট ভাই জাতীয় পার্টির নেতা আলহাজ্ব হাসনাত মাহমুদ তারিক।

ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে মনোনয়ন ক্রয় করেছেন ও জমা দিয়েছেন ২৩ জন। তাদের মধ্যে আওয়ামীলীগ থেকে ১২ জন, বিএনপির ৯জন ও জাতীয় পার্টির ২ জন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হলেন, বর্তমান এমপি ফাহ্মী গোলন্দাজ বাবেল, সাবেক এমপি ক্যাপন্টেন (অবঃ) গিয়াস উদ্দিন আহাম্মেদ, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অবঃ) রেজাউল করিম, জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ আনোয়ার বুলবুল, জেলা আ’লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আলাল আহাম্মেদ, আমেকসুর সাবেক ভিপি সাজ্জাদ হোসেন শাহীন, পৌরসভার মেয়র যুবলীগের কেন্দ্রিয় কমিটির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কায়সার আহাম্মেদ, ঢাকা মহানগর আ’লীগের নেতা আশিকুল ইসলাম, সাবেক ছাত্র নেতা মতিউর রহমান নিশাত, ব্যবসায়ী মোরাদ আহাম্মেদ মনি আকন্দ ও কেন্দ্রিয় মহিলা আ’লীগ নেত্রী নাজমা হোসেন বেবি।

বিএনপি’র প্রার্থীরা হলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শিল্পপতি এবি ছিদ্দিকুর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবুল কাশেম, জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ড. মীর মিজানুর রহমান, জাতীয়তাবাদী তৃণমূলদলের কেন্দ্রিয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আল ফাত্তাহ, কেন্দ্রিয় বিএনপি নেতা ডাঃ রানা আহাম্মেদ, কেন্দ্রিয় সেচ্ছাসেবকদলের নেতা আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, মুশফিকুর রহমান, হাতেম আলী ও প্রবাসী মানিক মোহাম্মদ।

জাতীয় পার্টির প্রাথীরা হলেন, জাতীয় ওলামা পার্টির কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি ক্বারী মোঃ হাবিবুল্লাহ বেলালী ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমান।

ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ৩৩ জন। এরমধ্যে আ’লীগের ২০জন, বিএনপির ১০জন ও জাতীয় পার্টির ৩জন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হলেন, ভালুকা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাবেক স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী বর্তমান এমপি অধ্যাপক ডা.এম আমান উল্লাহ, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, জেলা আ’লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনিরা সুলতানা মনি, জেলা আ’লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক হাজী রফিকুল ইসলাম, তাঁর ভাবি জেলা আ’লীগের সদস্য কবি সেলিনা রশিদ, জেলা আ’লীগের সদস্য উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু, জেলা আ’লীগের সদস্য এম, এ ওয়াহেদ, ভালুকা পৌরসভার মেয়র ডা.একেএম মেজবাহ উদ্দিন কাইয়ুম, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সহ-সভাপতি আশরাফুল হক জর্জ, কেন্দ্রিয় কৃষকলীগের  সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিপ্লব, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও ভালুকা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম পিন্টু, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কেবিএম হাদিউজ্জামান সেলিম, প্রকৌশলী মহিউদ্দিন, সাবেক উপজেলা যুব লীগের সভাপতি আনিসুর রহমান খান রিপন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইজাদুল হক পারুল, অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম খান লিটন, অ্যাডভোকেট শ্রী রাখাল চন্দ্র সরকার, আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ হারুন অর রশিদ, ওমর আলী ও শাহাদাত হোসেন চৌধুরী মিন্টু।

বিএনপি’র প্রার্থীরা হলেন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফখরউদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চু, জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক মোরশেদ আলম, মহিলাদলের কেন্দ্রিয় সহ-সভাপতি সাবেক এমপি নূরজাহান ইয়াছমিন বুলবুল, জেলা কৃষকদলের আহবায়ক ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান খান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমান মজু, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জিয়া বিগ্রেডের কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি আবুল হোসেন, জেলা বিএনপির সদস্য আনোয়ার আজিজ টুটুল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হামিদ কারী ও অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম।

জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা হলেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন মাস্টার, জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল কাইয়ুম ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদের।

অমৃতবাজার/বাবুল/শাওন