ঢাকা, রোববার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

কমতে শুরু করেছে তিস্তার পানি


লালমনিরহাট সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ০৭:১৯ পিএম, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার
কমতে শুরু করেছে তিস্তার পানি

লালমনিরহাটে কমতে শুরু করেছে তিস্তার পানি কিন্তু আতংক বাড়ছে মানুষের মাঝে। পানি কমতে থাকলেও অনেকে এলাকায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার।

সোমবার রাত ৯ টায় জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজে পয়েন্টে পানি বিপদ সীমার প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার (৫২.৭৫) উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও আজ মঙ্গলবার বেলা ৩ টায় তা বিপদসীমার প্রায় ১৬ সেন্টিমিটার (৫২.৪৪) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তা পানি উন্নায়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে।

এদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকে পানি কমতে থাকলেও অনেকে এলাকায় পানিবন্ধী পরিবার রয়েছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন জনপ্রতিনিধি। তারা বলছেন, পানিবন্দী পরিবারের তালিকা তৈরী করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে ত্রাণ সরবরাহের আবেদন জমা দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

এ বিষয়ে আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউপি চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক চৌধুরী বলেন, ‘ মহিষখোচা ইউনিয়নের তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় প্রায় এক হাজার থেকে পনের শত পরিবার পানিবন্দী রয়েছে। ওইসব পরিবারের মাঝে ত্রাণ সরবরাহের জন্য তালিকা তৈরী করা হচ্ছে।’


অপরদিকে হাতীবান্ধা উপজেলার সিন্দুর্ণা ইউপি চেয়ারম্যান নূরুল আমিন বলেন, ‘সিন্দুর্ণা ইউনিয়নের প্রায় ২ হাজার ৫‘শ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। আর ২ এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অনেক ঘর-বাড়ি পানির চাপে ভেঙে গেছে। বিষয়টি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাকে জানানো হলে তিনি মঙ্গলবার সকালে বিভিন্ন গ্রাম পরিদর্শণ করেন।’

আর তিস্তা ব্যারাজ লাগোয়া সানিয়াজান ইউনিয়নে প্রায় ৩‘শত থেকে সাড়ে ৩‘শত পরিবার পানিবন্দী রয়েছে বলে জানান সেখানকার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল আমিন বলেন, ‘উজানের ঢল ও বৃষ্টির কারণে সোমবার রাতে তিস্তার পানি বিপদসীমার উপরে উঠলেও পরর্বতিতে তা কমতে শুরু করে। মঙ্গলবার সকাল থেকে তিস্তা তীরবর্তী কয়েকটি ইউনিয়ন পরিদর্শন করেছি।’

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক শফিউল আরীফ বলেন, ‘তিস্তার পানি দ্রুত নেমে গেছে। এছাড়াও অত্র জেলায় তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় যেমন কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তেমনি কোন পানিবন্দী পরিবারও নেই।

অমৃতবাজার/হাসান/সুজন