ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮ | ৩ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

১৫ জানুয়ারি রাজশাহীর সব কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ


রাজশাহী সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ১০:২৭ পিএম, ১২ জানুয়ারি ২০১৮, শুক্রবার | আপডেট: ১০:২৭ পিএম, ১২ জানুয়ারি ২০১৮, শুক্রবার
১৫ জানুয়ারি রাজশাহীর সব কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ ফাইল ছবি

চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে রাজশাহী বিভাগের সকল কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার (সিএইচসিপি) অ্যাসোসিয়েশন। শুক্রবার নগরীর নিউমার্কেট সংলগ্ন একটি রেস্তরাঁয় কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত সিএইচসিপিদের চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

এ সময় ১৫ জানুয়ারি রাজশাহীর সকল কমিউিনিটি ক্লিনিক বন্ধ এবং ১৬ জানুয়ারি স্ব-স্ব সিভিল সার্জন অফিসে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ সিএইচসিপি অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী বিভাগের আহবায়ক আফাজ উদ্দিন লিটন বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেয়ার প্রধান মাধ্যম কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রায় ১৪ হাজার কর্মচারী কাজ করছে। যার মধ্যে প্রায় সাড়ে চার হাজার মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। অত্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করার স্বত্বেও তাদের চাকরি স্থায়ীকরণ হচ্ছে না।

এ কারণে প্রায় ১৪ হাজার পরিবারের কাছে ইনক্রিমেন্ট, বিনোদন ও প্রশান্তি ভাতাসহ সরকারের দেয়া সকল সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। এতে করে পরিবার পরিজন নিয়ে স্বচ্ছলভাবে দিন কাটানো যাচ্ছে না। প্রায় ৯০ শতাংশের বেশি সেবা গ্রহণকারী কমিউনিটি সেবায় প্রকাশ করলেও সরকারিকরণ না হওয়ায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

সংবাদ সম্মেলন থেকে তারা বিভিন্ন কর্মসূচির ঘোষণা দেন। এগুলো হলো, চট্রগ্রাম বিভাগের কর্মসূচিকে সমর্থন করে শুক্রবার থেকেই রাজশাহী বিভাগের সকল প্রকার রিপোর্ট বন্ধ থাকবে, ১৫ জানুয়ারি সিসি বন্ধ রেখে স্ব স্ব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অবস্থান, ১৬ জানুয়ারি স্ব স্ব সিভিল সার্জনে অবস্থান এবং ২০ তারিখের মধ্যে দাবি মেনে না নিলে ঢাকায় আমরণ অনশন কর্মসূচি দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিএইচসিপি অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী বিভাগের যুগ্ম আহবায়ক ফেরদৌস হোসেন, সোহেল রানা, শিফাত আহম্মেদ খান, মিজানুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, পাবনা জেলা সভাপতি শাহাবুল ইসলাম, সম্পাদক আজম আলী, বগুড়া জেলা সভাপতি মাহাবুবুর রহমান পয়েট, রাজশাহী জেলা সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান অন্তর।  

অমৃতবাজার/শিহাবুল/ইকরামুল