ঢাকা, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ৪ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

যশোরে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে কিস্ অ্যাঞ্জেলা গমেজ রেসিডেন্সিয়াল স্কুল


যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৭:৩৭ পিএম, ১৭ জুলাই ২০১৭, সোমবার
যশোরে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে কিস্ অ্যাঞ্জেলা গমেজ রেসিডেন্সিয়াল স্কুল

ভারতের উড়িষ্যার ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব স্যোসাল সাইন্স কিস্ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় যশোর সদর উপজেলার হৈবতপুর গ্রামে ‘কিস্ অ্যাঞ্জেলা গমেজ রেসিডেন্সিয়াল স্কুল’ নামে আন্তর্জাতিক মানের এক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হবে।

অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিশুদের জন্য এ স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যশোরের বাঁচতে শেখা ও ভারতের  কিস ফাউন্ডেনের মাঝে  গত ১৩ জুলাই এ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে বাঁচতে শেখা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
 
সংবাদ সম্মেলনে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বাঁচতে শেখার কোষাধ্যক্ষ খন্দকার মুকছুদুল হক জানান, গত ১৩ জুলাই বাঁচতে শেখা ও ভারতের উড়িষ্যার কিস ফাউন্ডেশনের মধ্যে কিস্ অ্যাঞ্জেলা গমেজ রেসিডেন্সিয়াল স্কুল প্রতিষ্ঠার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। স্মারকে কিস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. অচ্যুত সামন্ত ও বাঁচতে শেখার প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. অ্যাঞ্জেলা গমেজ স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি অনুযায়ী যশোর শহর থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে হৈবতপুর গ্রামে বাঁচতে শেখার  ২২ বিঘা জমির উপর একটি বিশ্বমানের আবাসিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে। স্কুলটিতে প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রাথমিকভাবে প্রথম থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত শুরু হবে। প্রত্যেক শ্রেণিতে ৫০ জন শিক্ষার্থী থাকবে। সব মিলিয়ে ৩৫০ জন শিক্ষার্থী থাকবে প্রথম ধাপে।

আগামি ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম চালু হবে। প্রতিষ্ঠানে হতদরিদ্র, সুবিধা বঞ্চিত কন্যা শিশুরা লেখাপড়া করার সুযোগ পাবে। তবে অনগ্রসর আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কন্যা শিশুরা অগ্রাধিকার পাবে। শিশুদের থাকা, খাওয়া, চিকিৎসা এবং পোশাকসহ যাবতীয় ব্যয় বহন করবে স্কুল কর্তৃপক্ষ। পর্যায়ক্রমে স্কুলটি দ্বাদশ শ্রেণিতে রুপান্তরিত হবে। প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি এখানে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা হবে। প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্দেশ্যে শিক্ষার মাধ্যমে দারিদ্রদূরীকরণ ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা। ৬ সদস্য বিশিষ্ট গভর্নিং বডির মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

বাঁচতে শেখার নির্বাহী পরিচালক অ্যাঞ্জেলা গমেজ বলেন, অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল একটি স্কুল করার। সেই স্বপ্ন  দেরিতে হলেও পূরণ হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের স্কুলে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিশুরা লেখাপড়ার সুযোগ পাবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাঁচতে শেখার সদস্য শাহজান মিয়া, বাঁচতে শেখার পরিচালক পলাশ কিউবার্ট গমেজ, পরিচালক অনুপ কুমার সাহা, প্রশাসনিক প্রধান হিমেল সঞ্জিব কিসকু, সমন্বয়কারী মাহবুবুর রহমান।

অমৃতবাজার/প্রণব/রেজওয়ান

Loading...