ঢাকা, রোববার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ | ৩ পৌষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে গাছে বেঁধে জমি দখল


জামালপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০১:২০ পিএম, ১৮ জুন ২০১৭, রোববার
জামালপুরে গাছে বেঁধে জমি দখল

জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের টনকি গ্রামের আসাদুজ্জামান শান্তা ও তার বৃদ্ধা মা লবুজাকেসহ একই পরিবারের তিনজনকে গাছের সাথে বেঁধে রেখে তাদের বসতভিটা জবরদখল করে নিয়েছে একই গ্রামের বাসিন্দা প্রতিপক্ষ আ. লতিফ ও আমিনুল ইসলাম গংরা।  

জানা গেছে, মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের টনকি গ্রামের আ. লতিফ গংদের সাথে একই গ্রামের বাসিন্দা আসাদুজ্জামান শান্তার পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিল।  নিয়ে দুই পক্ষের মাঝে পাল্টাপাল্টি মামলা চলছিল। এরই একপর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার সকালে আ. লতিফ গংরা প্রতিপক্ষ আসাদুজ্জামান শান্তার অনুপস্থিতিতে তার পৈতৃক সম্পত্তিতে জোরপূর্বক ইটের দেয়াল নির্মাণ করতে থাকে।

 এ খবর পেয়ে শান্তা বাড়িতে গিয়ে তার জমিতে দেয়াল নির্মাণে বাধা দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আ. লতিফ গংরা শান্তাকে বেধড়ক মারপিট করে নারকেল গাছের সাথে বেঁধে রাখে। ওই সময় শান্তার বৃদ্ধা মা লবুজা বেওয়া (৮৫) তাঁর ছেলে শান্তাকে বাঁচানোর জন্য চিত্কার করলে তাঁকেও মারধর করে চেয়ারের সাথে বেঁধে রাখে। একই সময় শান্তার ছোট ভাই সুরুজ্জামানের স্ত্রী প্রতিবন্ধী ছালেহা বেগমকেও মারধরসহ শ্লীলতাহানি করে। এ ঘটনার চিত্র ভিডিওতে ধারণ করতে গেলে সয়ন নামের এক স্কুলছাত্রকেও মারধের করে আ. লতিফ গংরা।

একপর্যায়ে এলাকাবাসী এ ঘটনা পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহত আসাদুজ্জামান শান্তা, লবুজা বেওয়া ও ছালেহা বেগমকে উদ্ধার করে প্রথমে থানায় এবং পরে তাদেরকে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।  

মেলান্দহ থানার ওসি মাজহারুল করিম জানান, এলাকাবাসীর কাছে খবর পেয়ে এসআই আজাহার আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ পাঠিয়ে তাদেরকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে এনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মেরান্দহ থানায় একটি মামলা হয়েছে।  

অমৃতবাজার/সাইফ

Loading...