ঢাকা, রোববার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১০ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মোহাম্মদপুর থেকে দুই শিক্ষার্থী অপহরণ


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১২:১৪ পিএম, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার
মোহাম্মদপুর থেকে দুই শিক্ষার্থী অপহরণ ছবি- তানজিম আল ইসলাম দিবস ও খালিদ হাসান ধ্রুব

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তানজিম আল ইসলাম দিবস ও খালিদ হাসান ধ্রুব নামে দুই শিক্ষার্থীকে অপহরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোডের মিনার মসজিদ এলাকা থেকে তাদের অপহরণ করা হয়। অপহরণকারীরা দিবসের পরিবারের সদস্যদের কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে।

এদের মধ্যে দিবস ধানমন্ডির ভার্টিক্যাল হরাইজন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের এ লেভেলের ও ধ্রুব ঢাকা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র।

অপহৃত হওয়া দুই শিক্ষার্থীর স্বজন ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরদিন বুধবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে অপহৃত দিবসের মায়ের মোবাইলে কল করে দিবস ও ধ্রুবকে অপহরণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। তাদের মুক্তি দেয়ার বিনিময়ে অপহরণকারীরা ৫০ লাখ টাকা দাবি করে। এসময় তারা র‌্যাব-পুলিশের কাছে না যাওয়ার হুমকি দেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে গেলে দুজনকেই হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেয়।

গতকাল শুক্রবার এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা করেছেন দিবসের বাবা ফখরুল ইসলাম। থানা পুলিশের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পশ্চিম বিভাগ অপহৃতদের উদ্ধার ও অপহরণকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছেন।

জানা যায়, অপহৃত দিবস ঘটনার দিন সকালে জিগাতলার ভাড়া বাসা থেকে সকালে মহাখালীতে যায়। সেখান থেকে দুপুরে তার মামা ধ্রুবর সঙ্গে মোহাম্মদপুরের তাজমহাল রোডে কাজ শেষ করে বাসায় ফেরার কথা ছিল। কিন্তু, এরপর থেকেই পরিবারের সদস্যরা তাদের দুজনেরই মোবাইল বন্ধ পায়। পরে খবর পেয়ে কুড়িগ্রাম থেকে দিবস ও ধ্রুবের পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় আসেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের সবশেষ অবস্থান তেজগাঁও এলাকায় হওয়ার কারণে তারা ঘটনার দিনই তেজগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নম্বর ১১৭৮) করেন। পরে তেজগাঁও থানা পুলিশ তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে অনুসন্ধান করে অপহৃত হওয়ার ঘটনাস্থল মোহাম্মদপুর বলে জানতে পারে। পরবর্তীতে অভিযোগটি আবার মোহাম্মদপুর থানায় ফরোয়ার্ড করে পাঠানো হয়।

দুই শিক্ষার্থী অপহরণের ঘটনা অনুসন্ধানকারী ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহাদাত হোসেন সুমা বলেন, অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত ও গ্রেফতার করে দুই ভিকটিমকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

অমৃতবাজার/এমআর