ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনি প্রচারণায় গান


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১২:৩৩ পিএম, ২১ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার
নির্বাচনি প্রচারণায় গান ছবি- নির্বাচনি প্রচারণায় গান

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনি প্রচারণা এখন তুঙ্গে। গতানুগতিক প্রচারণার সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে ‘নির্বাচনি গান’। গানের মাধ্যমে ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা। এতে বিনোদন পাচ্ছেন কর্মী-ভোটার সবাই। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাইকে বাজছে এসব গান। তবে কিছুটা ভোগান্তিতে আছেন সিনিয়র সিটিজেনরা।

শেখ ফজলে নূর তাপসকে নিয়ে একটি গান তৈরি করেছেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামাল হোসেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গনটিতে প্রায় দেড় লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। গানটি পরিবেশের পর মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। সারা ঢাকায় গানটি বাজছে।’

বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের প্রচারণায় প্রচারিত গানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ‘ভাই বোন মুরুব্বিগণ সকলের ভোট চাই, মেয়র খোকার যোগ্য সন্তান সবার প্রাণের ইশরাক ভাই। ঢাকা দক্ষিণে ইশরাকের ভাইয়ের নাই তুলনা নাই’, ‘খুশির খবর আজ বলি গানে, ঢাকা দক্ষিণ সিটির নির্বাচনে/মেয়র প্রার্থী ইশরাক ভাইয়ের তুলনা যে নাই, ইশরাক ভাইয়ের ধানের শীষে সবার ভোট চাই।’

অপরদিকে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের প্রচারণায় যেসব গান বাজছে সেগুলোর মধ্যে—‘এসে গেছে নির্বাচন ভোট দাও জনগণ, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তোমাদের প্রয়োজন। তাবিথ ভাইয়ের সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন।’ ‘বাংলাদেশটা স্বাধীন হয়েছে রক্তের বিনিময়ে, তবুও কান্না থামছে না মা বাংলাদেশকে নিয়ে। স্বাধীন বাংলা হয়নি স্বাধীন মানুষের চিৎকার। লড়াই করে ফিরে পেতে হবে মানুষের অধিকার। হারিয়ে যাচ্ছে কৃষক শ্রমিক মজুরি টানাতে, ধানের শীষকে অস্ত্র বানাও বুকের আগুন দিয়ে। তালা ভেঙে সব মুক্ত করো বুকের সাহস নিয়ে।’

উত্তর সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আতিকুল ইসলামের প্রচারণায়ও স্থান পাচ্ছে একাধিক গান। গানের মাধ্যমে প্রচারণার প্রসঙ্গে উত্তরে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনি গানগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- জয়বাংলা, জিতবে এবার নৌকা। এই গানের সঙ্গে যে ভাব রয়েছে তাতে নেতাকর্মীরা খুবই উজ্জীবিত হয়ে পড়েন। 

মেয়র প্রার্থীদের পাশাপাশি কাউন্সিলর প্রার্থীদের নামেও নগরীর ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নানা গান বাজছে। পাড়া-মহলা ও অলিগলিসহ প্রার্থীদের নির্বাচনি অফিসে সাউন্ড সিস্টেমে এসব গান বাজানো হচ্ছে। গান শুনতে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তরুণ গায়কদের কদর বেড়ছে। প্রতিটি গান গাওয়ার জন্য পাঁচ হাজার থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেণ তারা। ব্যক্তিভেদে আরও বাড়ছে এই পারিশ্রমিক।

অমৃতবাজার/এমআর