ঢাকা, রোববার, ২৬ জানুয়ারি ২০২০ | ১৩ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর চাওয়া ঢাকার সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হোক


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:১০ এএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার | আপডেট: ০৯:৪২ এএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার
প্রধানমন্ত্রীর চাওয়া ঢাকার সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হোক

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে কোনো ধরণের বাড়াবাড়ি না করতে দলের নেতা-কর্মীদের বলেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি জানান- এটা প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, `প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরব আমিরাতে যাওয়ার আগে বিমানবন্দরে পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছেন, নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হতে হবে। ফেয়ার নির্বাচন হওয়ার জন্য যত সহযোগিতা লাগবে, তা দিয়ে যাবে সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো হস্তক্ষেপ করা হবে না। আমরা নির্বাচনের আচরণ বিধি মেনে নির্বাচন করব। নির্বাচনে কোনো বাড়াবাড়ি হবে না`

ঢাকা সিটি ভোট নিয়ে সরগরম বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল সোমবার সাংবাদিকদের সাথে একথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত মেয়র নির্বাচনে নৌকার দুই প্রার্থী আছেন শেখ ফজলে নূর তাপস ও আতিকুল ইসলাম। কাউন্সিলর ভোট দলীয় প্রতীকে না হলেও সেখানেও ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রার্থী ঠিক করে দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি অভিযোগ তোলার পর বিএনপি সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে সংশয় নিয়েই স্থানীয় সরকারের এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগও তুলছে তারা। অবশ্য সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠানের বিষয়ে সরকার প্রধানের কঠোর বার্তার কথা জানালেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আমিরাত অভিমুখী প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানাতে রোববার বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন ওবায়দুল কাদের।

ইভিএম নিয়ে বিরোধীদের আপত্তির বিষয়ে কাদের বলেন, `আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছি। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, নির্বাচন পরিচালনা করবেন ইসি। তারা ইলেকশন কন্ডাক্ট করবে, সেখানে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ থাকবে না। সরকার কোনো ব্যাপারেই তাদেরকে নির্দেশ দেবে না।

`নীতিগতভাবে আমরা ইভিএমের পক্ষে। আমরা আধুনিক প্রযুক্তিতে বিশ্বাস করি। এজন্য সহজে ভোট প্রদান, ভোট গণনা, আধুনিক পদ্ধতি অনেক সহজ। এটা পরীক্ষিত বিষয়। কাজেই আমরা এটার পক্ষে। যদি ইসি মনে করে ইভিএম সিস্টেম ছাড়া অতীতের মতো করবে এটাও তাদের সিদ্ধান্তের ব্যাপার।`

মন্ত্রী কাদের বলেন, `নির্বাচনে যখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়, তখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরও ভূমিকা থাকবে না। তখন নির্বাচন কমিশনের অধীনেই চলে যাবে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তাদের দায়িত্ব পালন করবে।`

অমৃতবাজার/এসএস