ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বনশ্রীতে বাসা থেকে সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার


অমৃতবাজার রিপোর্ট 

প্রকাশিত: ১২:১০ পিএম, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রোববার
বনশ্রীতে বাসা থেকে সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার

 

রাজধানী ঢাকার বনশ্রী থেকে বাংলা ট্রিবিউন’র সহ-সম্পাদক মনসুর আলীর (৩৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় মরদেহটি উদ্ধার করে খিলগাঁও থানা পুলিশ। রাতেই তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তবে এখনও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়নি বলে একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে জানান খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান।

জানা যায়, দক্ষিণ বনশ্রীর একটি ভাড়া বাসার ৬ তলায় থাকতেন মনসুর আলী। তার বাড়ি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের কোটালপাড়ায়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে সাংবাদিকতায় যুক্ত হন মনসুর।

তিনি ২০১৩ সালে অর্থসূচক ডটকম-এ কাজ করার মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এরপর ই-বার্তা ও টেকশহরে কিছুদিন কাজ করে দৈনিক ইত্তেফাকে যোগ দেন। ২০১৭ সালে তিনি বাংলা ট্রিবিউনে সহ-সম্পাদক (সাব-এডিটর) পদে যোগ দেন।

মনসুরের সঙ্গে একই বাসায় থাকতেন সারাবাংলা ডটনেটের সাংবাদিক মনোজিৎ মিত্র।

তিনি জানান, শুক্রবার রাতে তিনি অপর এক বন্ধুর বাসায় ছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় বাসায় এসে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পান। দরজা বন্ধ পেয়ে অনেকক্ষণ ডোরবেল বাজিয়ে ভেতর থেকে কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি।

পরে বাড়ির মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়। এরপর খিলগাঁও থানার পুলিশ এসে দরজা ভেঙে বাসার ভেতরে প্রবেশ করেন।

মনোজিত বলেন, ‘মনসুর বিবস্ত্র অবস্থায় বিছানায় চিৎ হয়ে পড়ে ছিলেন। বিছানার পাশে বমি ও মল ছিল।’

রাতেই পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ’র (সিআইডি) ক্রাইম সিন ঘটনাস্থলে আসে। এরপর সিআইডির সহায়তায় আলামত সংগ্রহ করে খিলগাঁও থানা পুলিশ। সিআইডির কমর্কতারা ধারণা করেন, মনসুর আলীর মৃত্যু অনেক আগেই হয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউনের পরিবহন বিভাগ থেকে জানা যায়, শুক্রবার তার (মনসুর) কাজ শেষে রাত সাড়ে ১২টার পর গাড়ি যোগে তাকে বাসার ফটকে নামিয়ে দেওয়া হয়।

খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান একুশে টেলিভিশনকে বলেন, ‘ময়নাতদন্ত হবে। তার পরিবারের লোকজন ঢাকায় এসেছেন।’

মনসুরের ভাই সংশ্লিষ্ট থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করবেন বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

অমৃতবাজার/এএস