ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯ | ৫ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে খরচ হবে দুই কোটি টাকা


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৫:১৭ এএম, ১৮ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার
বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে খরচ হবে দুই কোটি টাকা

 

হাতিরঝিলের বিজিএমইএ ভবনটি ভাঙতে দুই কোটি টাকা খরচ হতে পারে বলে ধারণা করছে রাজউক। তবে তারা এও আশা করছে ১৫ তলা ওই ভবনের ধ্বংসাবশেষ বিক্রি করেই এই অর্থ উঠে আসবে।

যদি ধ্বংসাবশেষ বিক্রির টাকায় খরচ না মেটানো যায় তবে, বিজিএমইএর কাছ থেকেই বাকি টাকা আদায় করা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আদালতের রায়ে ভবন ধ্বংসের ব্যয় বিজিএমইএকে বহন করতে বলা হয়েছিল। তার উপরই জোর দিচ্ছেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চাইছেন বিজিএমইএর বিদায়ী সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।

হাতিরঝিলে গড়ে তোলা বিজিএমই এর অবৈধ ভবনটি ভাঙার রায় হয়েছে সর্বোচ্চ আদালত থেকে।

এরপর বিজিএমইএ ও ওই ভবনে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালামাল সরিয়ে নিতে বছরের বেশি সময় দেওয়ার পর মঙ্গলবার ভবনটি সিলগালা করে দিয়েছে রাজধানী ‍উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

উঁচু এই ভবনটি কীভাবে ভাঙবেন, ব্যয়ের সংস্থান কীভাবে হবে, এখন সেই ছক কষছেন রাজউক কর্মকর্তারা।

রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী ও হাতিরঝিল প্রকল্পের পরিচালক এ এস এম রায়হানুল ফেরদৌস বলেন, ভবন ভাঙতে দুই কোটি টাকা লাগতে পারে।

“এই ভবন ভাঙতে কী পরিমাণ টাকা লাগতে পারে, তার একটা মোটামুটি অ্যাসেসমেন্ট করা হয়েছিল আগেই। দুই কোটি টাকার মতো লাগতে পারে। ভবনের মালামাল বিক্রি করে এই টাকাটা উঠে যাওয়ার কথা।”

দুটি বেইজমেন্টসহ ১৫ তলা বিজিএমইএ ভবনটি ভাঙার পর ব্যবহারযোগ্য মালামাল কেনায় আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দরপত্র আহ্বান ইতোমধ্যেই করেছে রাজউক। আগ্রহীদের আগামী ২৪ এপ্রিল বিকাল ৪টার মধ্যে রাজউক চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করতে বলা হয়েছে।

তিন মাসের মধ্যে ভবন ভাঙার শর্ত দেওয়া হয়েছে সেই বিজ্ঞপ্তিতে। এতে আরও বলা হয়েছে, আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বহুতল ভবন ভাঙার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তিন মাসের মধ্যে ভবন ভেঙে মালামাল অপসারণ করতে হবে। ভাঙার ব্যাপারে ক্রেতাকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

দরপত্রের শর্তে বলা আছে, ভবন ভাঙার জন্য আলাদা কোনো অর্থ দেওয়া হবে না। যারা ভবন ভাঙবেন তারাই মালামাল কেনার দরপত্র দাখিল করতে পারবেন। যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ মূল্য উল্লেখ করবেন, তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে।

অমৃতবাজার/এএস