ঢাকা, রোববার, ২৬ মে ২০১৯ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বিজিএমইএ ভবন সিলগালা


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১০:১৬ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার
বিজিএমইএ ভবন সিলগালা

রাজধানীর হাতিরঝিলে লেকে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা তৈরি পোশাক মালিক ও রফতানিকারক সমিতির প্রধান কার্যালয় বিজিএমইএ ভবন সিলগালা করে দিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ভবনটি সিলগালা করে দেয়া হয় বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল প্রকল্প পরিচালক চিফ ইঞ্জিনিয়ার এ এস এম রায়হানুল ফেরদৌসের।

সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিট থেকে ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে সিলগালা করে দেওয়ার পর সাড়ে ৭টার দিকে প্রধান ফটকে সিলগালা করা হয়।

রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) খন্দকার অলিউর রহমান বলেন, আইনের ভিত্তিতে বিজিএমইএ ভবন অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। আমরা যে ভবন অপসারণ শুরু করেছি এটাও ভবন ভাঙার অংশ। তাছাড়া এখানে টেকনিক্যাল ও ম্যানেজমেন্টের বিষয় আছে, এগুলো শেষ হলেই আমরা ভবন ভাঙার কাজ শুরু করবো। এই বড় ভবনের নানা বিষয় দেখতে হচ্ছে, এখানে অনেকগুলো ব্যাংক আছে সেটাও দেখতে হচ্ছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এ কাজ শেষ করতে পারবো এ কাজে মূল সহযোগী হবে চায়না এক্সপার্টরা। এখন ভবনে অফিস অপসারণের কাজ চলছে।

হাতিরঝিল প্রকল্পের পরিচালক রায়হান ফেরদৌস তখন বলেন, মালামাল সরানোর পর আমরা ইউলিটি সেবা গ্যাস, বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেবো। এরপর ভবন ভাঙার কাজে হাত দেবো। সেনাবাহিনীর সহায়তায় এ ভবনটি অপসারণের কাজ করা হবে। এর আগে র‌্যাংগস ভবন ভাঙতে গিয়ে প্রাণহানি ঘটে। তবে এ ভবন ভাঙতে ডিনামাইট বা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে।

সকালে ১৬ তলা ভবনটি ভাঙতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল ‍সদস্য নিয়ে ভবনটির সামনে অবস্থান নেয় রাজউক কর্মকর্তারা। পরে ভবনে যেসব প্রতিষ্ঠান আছে তারা সরঞ্জাম সরাতে সময় চাইলে প্রথমে তাদের দুই ঘণ্টা সময় দেয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে মালামাল সরাতে ব্যর্থ হলে পরে আরও এক ঘণ্টা সময় বাড়ানো হয়। দ্বিতীয় দফাতেও মালামাল পুরোপুরি না সরায় বিকাল পর্যন্ত সময় দেয়া হয়। পরে আরেক দফা সময় বাড়ানো হয়।

রাজউক জানিয়েছে, সিলগালা করার পর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে। খুলে নেওয়া হবে গ্লাসগুলো। এরপর ডিনামাইট ডেমোলেশনের মাধ্যমে ভবনটি ভেঙে ফেলা হবে।

কয়েক বছর আগে বিজয় সরণিতে র্যাং গস ভবন ভাঙতে গিয়ে বেশ কয়েকজন শ্রমিকের প্রাণহানির ঘটনা স্মরণ করে এ এস এম রায়হানুল ফেরদৌস বলেন, বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে চীনা প্রকৌশলীদের সহযোগিতা নেওয়া হবে। সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। তবে এখানে বেশ কিছু টেকনিক্যাল বিষয় আছে, তেমনিভাবে ম্যানেজমেন্টের বিষয়ও আছে।

অমৃতবাজার/আরবি