ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮ | ১ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

দুপুরে চুলা জ্বলে না মোহাম্মদপুর-আদাবরে


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০১:০৬ পিএম, ১৬ মে ২০১৮, বুধবার
দুপুরে চুলা জ্বলে না মোহাম্মদপুর-আদাবরে

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চলছে গ্যাস সংকট। মোহাম্মদপুর-আদাবরের বেশ কিছু এলাকায় গ্যাস সমস্যা প্রকট। সকাল সাতটা থেকে দুপুর দুইটা অবধি গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না এসব এলাকায়। এসময় গ্যাসের চুলা নিভু নিভু জ্বললেও তাতে রান্না করা যাচ্ছে না।

গ্যাসের এমন সংকট নিয়মিত হয়ে পড়ায় বিরক্ত এখানকার বাসিন্দারা। তারা বলেন, ‘সকাল থেকে গ্যাস থাকে না। নাস্তা তৈরি করা যায় না। নাস্তা বানাতে হলে ভোররাতে উঠে পড়তে হয়। আবার দুপুরে যে রান্না করবো সে উপায়ও নেই। সকালে গিয়ে গ্যাস আসছে বিকালের দিকে।’

একই অবস্থা মোহাম্মদীয়া হাউজিং, নবোদয় হাউজিং, সেকেরটেক, আদবর, শ্যামলী হাউজিং, ঢাকা হাউজিং, মুনসুরাবাদ এলাকার বেশ কিছু জায়গায়। এসব এলাকায় দুপুরের আগে গ্যাস না আসায় অনেকেই আগের দিন রাতেই রান্না করে রাখছেন পরদিন দুপুরের খাবার।

আদাবর ১০ নম্বর রোডের বাসিন্দা সুমি আক্তার বলেন, ‘আগের দিন রাতে রান্না করে রাখি। সেটাই পরদিন দুপুরে খেতে হয়। খাবারটা যে গরম করে খাবো, সে উপায়টাও নেই।’

গ্যাসের আকাল দেখে তিনি এখন সিলিন্ডার গ্যাস কেনার চিন্তা করছেন। কিন্তু লাইনে গ্যাস না থাকলেও তো গ্যাসের বিল দিতে হয়। এটা নিয়েও চিন্তিত এই গৃহিনী।

এ এলাকায় গ্যাস সংকটের বিষয়টা নজরে আছে তিতাসের। সমস্যা সমাধানে কাজ করছেন তিতাস কর্মকর্তারা। এমন দাবি করে তিতাস (ঢাকা উত্তর) প্রকৌশলী এনামুল হক ভূঁইয়ার।

জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘কোথাও কোথাও গ্যাসের লাইনে সমস্যা হচ্ছে এটা আমরা জানি। এটা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছি। প্রতিদিনই আমাদের লোক কাজ করছে। গ্যাসের লাইনে পানি ঢুকে যাওয়ায় এই সমস্যা হয়েছে।’

যদিও গ্যাসের এই সংকটকে বেশ কিছু বিষয়কে দায়ী করছেন তিতাসের কেরানীগঞ্জ অঞ্চলের একজন ঠিকাদার মো. শামীম। তিনি জানান, ‘কিছু কিছু বাসাবাড়ি বেশ উঁচু। আট তলা, দশ তলা। এসব বাসায় গ্যাস একটু কম যাবে। আবার নিজের চাহিদা মতো গ্যাস পাওয়ার জন্য অনেকে এক ধরণের কম্প্রেসার ব্যবহার করছে। যা লাইনের সব গ্যাস টেনে এনে তাকে সাপোর্ট দিচ্ছে।’

অমৃতবাজার/জয়