ঢাকা, বুধবার, ১৫ আগস্ট ২০১৮ | ৩১ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ফাঁস চক্রের ১৪ সদস্য গ্রেফতার


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:৪৯ পিএম, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, রোববার
প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ফাঁস চক্রের ১৪ সদস্য গ্রেফতার

প্রশ্ন ফাঁসের  সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ফাঁস চক্রের ১৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সদস্যরা ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরীক্ষার আগের দিন রাতে ফেক আইডি থেকে বিভিন্ন প্রশ্নের সেট বিক্রয় ও সরবরাহ করে থাকে। যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

আজ রোববার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার মো: আবদুল বাতেন।

মো: আবদুল বাতেন বলেন, “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন প্রশ্নের সেট ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে শনিবার রাজধানীতে দিনভর অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. রাহাত ইসলাম, মো. সালাহউদ্দিন, মো. সুজন, মো. জাহিদ হোসেন, মো. সুফল রায় ওরফে শাওন, মো. আল-আমিন, মো. সাইদুল ইসলাম, মো. আবির ইসলাম নোমান, মো. আমান উল্লাহ, মো. বরকত উল্লাহ, আহসান উল্লাহ, মো. শাহাদাৎ হোসেন ওরফে স্বপন, ফাহিম ইসলাম এবং তাহসিব রহমান।

তিনি জানান,এদের মধ্যে আমান উল্লাহ, আহসান উল্লাহ এবং বরকত উল্লাহ আপন তিন ভাই। আহসান সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী। তাদের কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ, ২৩ টি স্মার্টফোন এবং ২ লাখ ২ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

আবদুল বাতেন বলেন, গ্রেফতারকৃতরা ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার, ইমো এবং হোয়াটস অ্যাপসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গ্রুপ বা পেজ-এর এডমিন। তারা তাদের ভুয়া নাম অথবা আইডি ব্যবহার করে এসব গ্রুপ বা পেজ পরিচালনা করতো। এসব এডমিনদের আবার নিজস্ব একটা গ্রুপ থাকে। তারা মূলত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রশ্ন বিক্রির উদ্দেশ্য গ্রুপ মেম্বার সংগ্রহ এবং গ্রুপে এ সংক্রান্তে আকর্ষণীয় পোষ্ট দেয়।

তিনি বলেন, ‘বেশির ভাগ সময় পরীক্ষার দিন সকালে, কখনো কখনো পরীক্ষার আগের দিন রাতে একেক গ্রুপ থেকে একেক ধরনের প্রশ্নের সেট বিক্রয় ও সরবরাহ করতে থাকে, যা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। এর বিনিময়ে তারা বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমে ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা করে আদায় করতো বলে জানান বাতেন।

অমৃতবাজার/সুজন