ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

আজিমপুরে আ.লীগে সংঘর্ষ, ভাঙচুর-আগুন


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০২:২৪ পিএম, ১৬ নভেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৫:৩৬ পিএম, ১৬ নভেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার
আজিমপুরে আ.লীগে সংঘর্ষ, ভাঙচুর-আগুন

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠানস্থলের সামনে ময়লার স্তূপ রাখার পর এবার সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়েছে দলটির দুই গ্রুপ। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর আজিমপুরের পার্ল হারবার কমিউনিটি সেন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে মারপিটের ঘটনা ঘটে। কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থাকা ২০টির মতো মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও তিনটিতে আগুন দেওয়া হয়। মোটরসাইকেলগুলো দুপক্ষের নেতাকর্মীদের বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, কমিউনিটি সেন্টারে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ পূর্বনির্ধারিত প্রস্তুতি সভা করছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণকে ইউনেসকো স্বীকৃতি দেওয়ায় ১৮ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের সমাবেশ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সভা ছিল এটি। এদিকে একই সময়ে ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার আবু আহমেদকে ‘লাঞ্ছিত’ করার প্রতিবাদে কমিউনিটি সেন্টারের সামনে বিক্ষোভ করে আরেকটি পক্ষ। এর পক্ষটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকনের অনুসারী বলে স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন।

শাহে আলম মুরাদের অভিযোগ, তাঁর সভা পণ্ড করতে রাতে কমিউনিটি সেন্টারের ঢোকার মুখে সিটি করপোরেশনের গাড়িতে করে ময়লা এনে ফেলা হয়। তারপরও এসব বিষয় উপেক্ষা করে তিনি সভা করছিলেন। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রথম আলোকে বলেন, ১৮ নভেম্বর আওয়ামী লীগের নাগরিক সমাবেশ উপলক্ষে একটি প্রস্তুতি সভা এবং সদস্য নবায়ন কার্যক্রম চলছিল। এ সময় কমিউনিটি সেন্টারের সামনে ময়লা ফেলে সভায় বাধার সৃষ্টি করা হয়। এটা করার মাধ্যমে তারা আওয়ামী লীগকে বাধা দিয়েছে।

মেয়রের সঙ্গে আপনার দ্বন্দ্বের কারণে এমন হচ্ছে—এ প্রশ্নের জবাবে শাহে আলম মুরাদ বলেন, ‘আমি তাঁর সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব করতে চাই না। আমরা আওয়ামী লীগ করি, আমরাই তাঁকে মেয়র বানিয়েছি। তিনি তাঁর কাজ করবেন, আমি আমার কাজ করব। এখানে দ্বন্দ্বের কিছু নেই।’

পুলিশ জানায়, সমাবেশের অনুমতি না থাকায় মেয়র গ্রুপকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে তারা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে তারা পুলিশকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।

পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ইব্রাহিম খান বলেন, ‘একই স্থানে দুটি গ্রুপ সমাবেশ করতে চেয়েছিল। এতে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে আমরা রাস্তায় থাকা গ্রুপটিকে সরিয়ে দিই। কারণ তাদের সমাবেশের কোনো অনুমতি ছিল না। এখন অবশ্য পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

অমৃতবাজার/মিঠু

Loading...