ঢাকা, রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২০ | ২২ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

রাবিতে প্রশাসনের দুর্নীতির বিচার দাবি


রাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০:১৩ পিএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রোববার
রাবিতে প্রশাসনের দুর্নীতির বিচার দাবি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের মানববন্ধন। ছবি-অমৃতবাজার।

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভ নিমার্ণে দুর্নীতি, ঢাকাস্থ অতিথি ভবন ক্রয়ে ১০ কোটি টাকা দুর্নীতিসহ সকল প্রকার দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে

রবিবার বেলা ১১ টায় প্যারিস রোডে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক ড. এম মজিবুর রহমান বলেন, গত প্রশাসনের সময়কালে ঢাকায় অতিথি ভবন ক্রয় প্রক্রিয়া নিয়ে দুর্নীতির কথা আমরা জানি। বাস্তবে যার কোন অস্তিত্ব নেই। সেখানে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করা হয়েছে। এই দুর্নীতি এখনো অমিমাংসীত রয়ে গেছে। যার তদন্ত এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত দাবি করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এর তদন্ত করা সম্ভব নয়। এজন্য উচ্চ পর্যায়ে তদন্ত করতে হবে।

মজিবুর রহমান আরও বলেন, অতিথি ভবন না থাকায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ ঢাকায় থাকতে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হন। এছাড়াও গত প্রশাসনের সময়ে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভে দুর্নীতি হয়েছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি বিকৃত করা হয়েছে। যা অপমানজনক। এসব দুর্নীতির তদন্তে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন মিশ্র বলেন, গত প্রশাসনের যারা দুর্নীতি করেছে, এখন তারা নিজেদের দুর্নীতিকে আড়াল করার জন্য আন্দোলনে নামছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি গ্রুপ প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের নাম ব্যবহার করে সারাদেশে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে । অথচ তাদের বিরুদ্ধেই অসংখ্য দুর্নীতির অভিযোগ। সকল দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান অটল থাকবে।

পপুলেশন সায়েন্স এন্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলোপমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল গণির সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরো বক্তব্য দেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক আরিফুর রহমান, সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক রবিউল ইসলাম, আইন বিভাগের অধ্যাপক হাসিবুল আলম প্রধান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক তারেক নূর, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী জাহিদুর রহমান, বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুমাইয়া খানম প্রমুখ।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. লুৎফর রহমান, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রভাষ কুমার কর্মকারসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষক।

অমৃতবাজার/মিনহাজ/এসএইচএম