ঢাকা, শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯ | ৫ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বইমেলা


জাককানইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৪:০৭ পিএম, ০৩ জুলাই ২০১৯, বুধবার
কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বইমেলা

নজরুল জয়ন্তী-২০১৯ উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) প্রথমবারের মতো তিন দিনব্যাপী বইমেলা শুরু হয়েছে। এতে বাংলা একাডেমি, নজরুল ইনস্টিটিউট, প্রথমা, অন্বেষা, ঐতিহ্য, ইউপিএল, কথাপ্রকাশ, অনন্যা, সময়, মাওলা ব্রাদার্স, কাকলী, অনুপম, নন্দিতা, সমকালীন, পাদদেশ, ইশরিমিকরিসহ প্রায় ২০টিরও অধিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন খেলার মাঠ সংলগ্ন বইমেলার অস্থায়ী প্রবেশ পথে ফিতা কেটে উৎসবের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান। আজ থেকে শুরু হওয়া এ বইমেলা শেষ হবে আগামী বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই)। তিন দিনব্যাপী এ উৎসব প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।

নজরুল বইমেলা উপকমিটি-২০১৯ এর সদস্য সচিব সাকার মুস্তাফা সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. জালাল উদ্দিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড. হুমায়ুন কবীর, নজরুল বইমেলা উপকমিটি-২০১৯ এর আহ্বায়ক শাহজাদা আহসান হাবিব, সদস্য মেহেদী উল্লাহসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রযুক্তি যে পর্যায়েই যাক না কেন, যতই ইন্টারনেটে পৃথিবীর সকল তথ্য পাওয়া যাক না কেন, বই পড়ার বিকল্প হতে পারে না।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিশ্বজিৎ ঘোষ তার বক্তব্যে বইমেলার সাফল্য কামনা করেন এবং এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানায়, বইমেলা উপলক্ষে বুক রিভিউ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে এবং নির্বাচিত সেরা ১০ জন রিভিউয়ারকে পুরস্কার প্রদান করা হবে। যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী যে কেউ অংশগ্রহণ করতে পারবে।

এছাড়াও একটি স্টল বরাদ্দ থাকবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের প্রকাশিত বই প্রদর্শনীর জন্য এবং অন্য একটি বরাদ্দ থাকবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের জন্য।

অন্যদিকে প্রথমবারের মতো বইমেলা উৎসবকে ঘিরে আমেজ বিরাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরাও মেলায় সরব উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। লেখক, কবি, সাহিত্যিকদের আড্ডার জন্য বইমেলায় সাহিত্য চত্বরের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদ কামাল জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে এরকম আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠ্যবইয়ের বাইরেও বই পড়ার উৎসাহ জোগাবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই এবং প্রতিবছর যেন এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখা হয়।

মেলার স্টলে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরতরা আয়োজকদের সাধুবাদ জানায়। ঢাকার বাইরে এরকম উদ্যোগ বই প্রেমীদের বই পড়ার আগ্রহকে ও প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের প্রচারণার আরও বাড়াবে প্রত্যাশা করে তারা।

অমৃতবাজার/ওয়াহিদুল/এএস