ঢাকা, রোববার, ২৬ মে ২০১৯ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

‘বঙ্গবন্ধু একটি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন’


রাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০:১৯ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০১৯, বুধবার
‘বঙ্গবন্ধু একটি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন’

‘বঙ্গবন্ধুকে অনেকে রাজনীতির কবি বলেন, কিন্তু আমার মনে হয় তিনি রাজনীতির শিল্পী। তিনি যেভাবে একটি দেশকে স্বাধীন করেছেন, সেটা কোন সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধু হঠাৎ করেই বাংলাদেশ সৃষ্টির পরিকল্পনা করেননি। ১৯৬৬ সালে যখন আওয়ামী লীগের সম্মেলন হলো তখন সে অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী সঙ্গীত ছিলো আমার সোনার বাংলা। যেটা বর্তমানে আমাদের জাতীয় সঙ্গীত। এরকম আরো অসংখ্য বিষয় আছে যা থেকে বোঝা যায় বঙ্গবন্ধু একটি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন।

বুধবার বেলা ১১টায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ সিনেট ভবনে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ এসব কথা বলেন।

হারুণ-অর-রশিদ আরও বলেন, মুজিবনগর সরকার কোনো অবৈধ সরকার নয়। সত্তর সালের নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই এ সরকার গঠন করে। ফলে দেশের জনগণ তাদের ডাকে সাড়া দিয়েছিল। মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়েছিল বলেই আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ অত্যন্ত সুশৃঙ্খল পরিচালিত হয়েছে। যার ফলে আমরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আলোচক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সোবহান বলেন, বঙ্গবন্ধু কোন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ছিলেন না। তাই যদি হতো তাহলে দেশকে স্বাধীন করতে পারতেন না। সারা বিশ্বের যে সমর্থন তিনি পেয়েছেন সেটাও তিনি পেতেন না।

উপাচার্য আরও বলেন, মুজিবনগর সরকার হলো আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে বড় নিয়ামক। এই সরকার গঠন না হলে আমি, আপনি, আমরা যে জায়গায় বসে আছি সেই জায়গায় বসে থাকার সুযোগ পেতাম না।

প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক অধ্যাপক এম মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা ও চৌধুরী মো. জাকারিয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান আল আরিফ। এর আগে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে বেলা ১০টায় শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসনিক ভবন থেকে একটি শোভাযাত্র বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদিক্ষণ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে গিয়ে শেষ হয়।

অমৃতবাজার/ফরিদ/আরবি