ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রীর দাবিতে ইবিতে শিক্ষার্থীদের আবারও মানববন্ধন


ইবি প্রতিনিধি,

প্রকাশিত: ১১:৪৭ পিএম, ১৮ মার্চ ২০১৯, সোমবার
ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রীর দাবিতে ইবিতে শিক্ষার্থীদের আবারও মানববন্ধন

 

ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রীর দাবিতে ক্যাম্পাসে আবারও মানবন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইলেক্ট্রিকাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসহ পাঁচটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। রোববার সকাল ১১টা থেকে প্রশাসন ভবন চত্ত্বরে এ মানববন্ধন করে তারা।

পরে বেলা সাড়ে এগারটার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে ৭সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলকে উপাচার্যের দপ্তরে ডাকেন। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের সিলেবাস পর্যালোচনা করতে বলেন।

জানা গেছে, গত ১২ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের অধীনে ১১টি বিভাগকে তিনটি  (ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োলজিক্যাল সায়েন্স এবং সায়েন্স) অনুষদে বিভক্ত করা হয়।

ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং,  ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ফলিত রসায়ন অ্যান্ড কেমিকৌশল এবং বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগকে ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদে রাখা হয়। সে অনুযায়ী ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে ওই পাঁচ বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রীর দেয়ার নিয়ম চালু হয়। তবে ওইসব বিভাগের চলমান পূর্বের ব্যাচগুলো ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী দেয়া হচ্ছেনা বলে দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।

তারা জানায়, নতুন বর্ষ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রীর মর্যাদা দিলেও বঞ্চিত হয়েছে অন্য ব্যাচ গুলো। তাদের দাবি নতুন ব্যাচের পাশাপাশি চলমান অন্যান্য ব্যাচগুলোকেও ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রীর মান দিতে হবে।

বিষয়টি নিয়ে ওই পাঁচ বিভাগের শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সভাপতি ও অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মমতাজুল ইসলাম বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে। গত ২৭ জানুয়ারী ৫ বিভাগের শিক্ষার্থীরা ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান ভবনের সামনে মানববন্ধন করে ক্লাস বর্জনের ঘোষনা দেয়।

পরে ওই অনুষদ ও বিভাগের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরে যায়। তবে গত ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৫তম একাডেমিক কাউন্সিলে বিষয়টি সুরাহা না হলে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয় এবং পুনরায় আন্দোলনে নামে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানায়, `আমাদের বিভাগগুলোকে ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের অন্তর্ভুক্ত করলেও আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী না থাকায় চাকরীর বাজারে আমাদের নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি।`

উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী বলেন, পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান মহোদরদের উপর। আমি শিক্ষার্থীদের বলেছি, তোমরা ডিন মহোদয় এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের সাথে কথা বলো। তাঁরা বিষয়টি পর্যালোচনা করে যে সুচিন্তিত মতামত আমাদের কাছে পেশ করবেন; সেটি বিবেচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।`

অমৃতবাজার/অনি আতিকুর রহমান/এএস