ঢাকা, শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

তিন গুণ ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইবি শিক্ষার্থীদের মানবন্ধন


ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০:৪০ এএম, ১৬ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার
তিন গুণ ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইবি শিক্ষার্থীদের মানবন্ধন

 

নামে বেনামে খাত তৈরি করে প্রায় তিন গুণ ফিস বাড়ানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা। সোমবার বেলা ১২টার দিকে প্রশাসন ভবনের সামনে প্রায় ঘন্টাব্যাপি এ কর্মসূটি পালন করে তারা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আন্দোলনকারী সূত্র জানায়, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষেও ভর্তি ফরমের মূল্য তিনগুণ বৃদ্ধি, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি ফি, হল ফি, সেমিস্টার পরীক্ষার ফি, পরিবহন খাতসহ বিভিন্ন খাতে ফি প্রায় তিনগুণ বাড়ানোর প্রতিবাদে এ মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। প্রশাসনের এই সিন্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে এসময় তাদের হাতে বিভিন্ন ফেস্টুন দেখা যায়। এতে ‘ইবি কি পাবলিক না প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়?’ ‘অতিরিক্ত ভর্তি ফি কমাতে হবে’, ‘অতিরিক্ত ফরমের মূল্য বৃদ্ধি চলবে না’, শিক্ষা নিয়ে বানিজ্য বন্ধ করো; করতে হবে’ প্রভৃতি স্লোগান লেখা দেখা যায়।

আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অবিলম্বে ভর্তি ফি সহ বিভিন্ন খাতে ফি বৃদ্ধি কমাতে হবে। আমরা তো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হইনি। আমাদের যৌক্তিক দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো। প্রয়োজনে সকল ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করব।’

এদিকে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের সাথে একাত্বতা পোষণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। আন্দোলন চলাকালে ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা হালিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের সাথে একাত্বতা পোষণ করেন এবং আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

এবিষয়ে ছাত্রলীগের ইবি শাখা সভাপতি শাহিন বলেন, নামে বেনামে ফি বৃদ্ধি করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জিম্মি করার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ইবি ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক আন্দোলনের সাথে একাত্বতা ঘোষণা করছে।’

জানা যায়, মানববন্ধনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই সদ্য ভর্তিকৃত ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের দাবি মেনে না নিলে আগামীকাল একইসময় বিশ^বিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করবে তারা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান বলেন, ‘ভর্তি ফি যেটা বৃদ্ধি করা হয়েছে তা শিক্ষার্থীদের

অমৃতবাজার/আতিকুর/সুজন