ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ১০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

‘বঙ্গবন্ধুর সারাজীবনের চাওয়া-পাওয়া ছিলো বাঙালি জাতির মুক্তি’


খুলনা অফিস

প্রকাশিত: ১০:২৫ পিএম, ১৬ আগস্ট ২০১৮, বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৪:১৩ পিএম, ১৭ আগস্ট ২০১৮, শুক্রবার
‘বঙ্গবন্ধুর সারাজীবনের চাওয়া-পাওয়া ছিলো বাঙালি জাতির মুক্তি’

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধুর ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনা সভায় হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মো. সারওয়ার জাহানের সভাপতিত্বে মূখ্যবক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান।

তিনি বলেন, সুদূর অতীত থেকে বাঙালি জাতি অধিকার বঞ্চিত, উপেক্ষিত ছিলো। নিজেদের স্বাতন্ত্র, সার্বভৌম দেশ, পতাকা, ঠিকানা ছিলো না। হাজার বছরের এই বঞ্চনার অবসান ঘটাতে, বাঙালি জাতিকে বিশ্বের বুকে নতুন পরিচয়ে তুলে ধরতে, তাদের স্বাধীকার আদায়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৭ সালের পর থেকেই বিষয়টি মননে নিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, বাঙালি জাতিকে হাজার বছরের মধ্যে তিনিই একটি স্বতন্ত্র দেশ ও পতাকা উপহার দিয়েছেন। কিন্তু যারা পাকিস্তানের দোসর ছিলো তারা তা মেনে নিতে পারেনি। তাই তারা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ষড়যন্ত্রে ব্যর্থ হয়ে স্বাধীনতাত্তোর সময়েও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলো।

তিনি আরো বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে এই ষড়যন্ত্রকারীরা দেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিলো। তাঁরা প্রকৃত ইতিহাস বিকৃত করেছিলো। কিন্তু ইতিহাসে মিথ্যার ঠাঁই হয় সাময়িক, ইতিহাস সত্যকেই ধারণ করে এগোয়। স্বাধীনতার পূর্বাপর অনেক দলিলপত্র আছে সেখান থেকে ষড়যন্ত্রকারীদের নীল নকশা উদ্ঘাটিত হয়েছে।

তিনি বলেন বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের একটিই চাওয়া পাওয়া ছিলো তা হলো বাঙ্গালি জাতির মুক্তি, স্বাধীনতা ও সার্বভৌম বাংলাদেশ এবং এ দেশের সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি। তাই তিনি কোনো তত্ত্বে বিশ্বাস করতেন না। তিনি চাইতেন কিভাবে বাঙালির মুখে হাসি ফুটে।

উপাচার্য বলেন, দেশে রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকতে পারে, সেটা স্বাভাবিক। ভিন্ন ভিন্ন মার্কায় কেউ ভোট দিতে পারে। কিন্তু যারা বঙ্গবন্ধুকে অস্বীকার করে, তার অবদানকে অস্বীকার করে, তারা মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করে। তাদের সাথে রাজনৈতিক ঐক্যমত্য বা আপোষ হবে না।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ। সূচনা বক্তব্য রাখেন সহকারী হল প্রভোস্ট ড. ইকবাল আহমেদ। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ছাত্রদের মধ্যে মতিউর রহমান ও সাহাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রুবাইয়াৎ ফেরদৌস।

অমৃতবাজার/রেজওয়ান/শাওন