ঢাকা, বুধবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৮ | ১২ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

‘হয় কোটা সংস্কার কর নতুবা আমাকে গুলি কর’


ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৪:৩৯ পিএম, ১৮ মার্চ ২০১৮, রোববার
‘হয় কোটা সংস্কার কর নতুবা আমাকে গুলি কর’

সামনের দৃশ্যটি এখন প্রতিদিনের। সারাদেশে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ফেটে পড়ছে বিক্ষোভে। তারই অংশ হিসেবে রোববার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। এদিন বেলা সাড়ে ১১টায় ‘মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব’ চত্বরে মানববন্ধন চলাকালে এক শিক্ষার্থীকে দেখা যায় সাদা টি-শার্টের বুকে কালো কালিতে লেখা ‘হয় কোটা সংস্কার কর নতুবা আমাকে গুলি কর’।

বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের এনামুল হক নামের সেই শিক্ষার্থী জানায়, ‘বর্তমানে যে কোটাব্যবস্থা দেশে চালু রয়েছে তা কোন সুবিধা নয় বরং বৈষম্য। আমরা চাই সেই বৈষম্য দূর হোক। যাতে মেধাবীরা তাদের সঠিক মূল্যায়ন পায়।’

জানা যায়, গত ১৪ মার্চ সকালে রাজধানীতে চাকরি প্রত্যশীদের কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত অবস্থায় পুলিশের হামলা ও অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে দেশব্যাপি বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয় ‘সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’।

তারই অংশ হিসেবে রোববার সকাল সাড়ে এগারোটায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসময় নেতৃত্ব দেন কৌশিক রাহাত, শারমিন সুলতানা, সূচনা আক্তার, এস এম শাহেদুজ্জামান প্রমূখ। কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা তাদের ৫দফা দাবি পেশ করেন। দাবিগুলো হলো, কোটা ৫৬% থেকে ১০% করা, কোটার শূন্য পদে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান, নিয়োগ পরীক্ষায় ১বারই কোটাসুবিধা, কোটায় বিশেষ নিয়োগ বন্ধ ও চাকুরিতে প্রবেশের অভিন্ন বয়সসীমা।

এসময় মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে দেখা যায়। যাতে লেখা ছিল, আমরা মেধার যথাযথ মূল্যায়ন চাই, দেশমাতাকে বাঁচাতে মূল্য দেবো মেধাকে। শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড, মেধা জাতির মানদন্ড প্রভৃতি।

অমৃতবাজার/অনি/ইকরামুল