ঢাকা, শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮ | ৫ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

হাবিপ্রবিতে কৃষিবিদ-২০১৮ পালিত


হাবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৩:৫২ পিএম, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, মঙ্গলবার | আপডেট: ০৩:৫৪ পিএম, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, মঙ্গলবার
হাবিপ্রবিতে কৃষিবিদ-২০১৮ পালিত

কৃষিতে উন্নতির লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে ১৩ই ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কৃষিবিদের প্রথম শ্রেণিতে মর্যাদা প্রদান করেন। তাই আজ ১৩ই ফেব্রুয়ারি "বঙ্গবন্ধুর অবদান কৃষিবিদ ক্লাস ওয়ান" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(হাবিপ্রবি) কৃষিবিদ দিবস ২০১৮ পালিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষ্যে সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে এক বিরাট র্যালী বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে অডিটোরিয়াম ২ এসে শেষ হয়। তারপর সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম -২ এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সহযোগী প্রফেসর ড. রাশেদুল ইসলামের সঞ্চালনায় এবং প্রফেসর ড. তরিকুল ইসলামেরর সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পোষ্ট গ্র্যাজুয়েট অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান(উপাচার্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত) এবং মূখ্য আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এমিরেটাস প্রফেসর ড. এম.এ সাত্তার মন্ডল,সাবেক উপাচার্য, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,ময়মনসিংহ ও সাবেক সদস্য,পরিকল্পনা কমিশন,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

মূখ্য আলোচক হিসাবে প্রফেসর ড. এম.এ সাত্তার মন্ডল বলেন, হাবিপ্রবি উদীয়মান বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে, আমি নিজের বিশ্ববিদ্যালয় মনে করি। কৃষিবিদের ডাক্তার, প্রকৌশলীদের মতো প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা দেওয়ার জন্য দেশে অনেক দিন ধরে আন্দোলন হয়। কৃষিতে উন্নয়ন ছাড়া এদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় জেনে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে ১৩ ফেব্রুয়ারি কৃষিবিদের প্রথম শ্রেণিতে উন্নতি করেন। তিনি কৃষির সংঙ্গায় বলেছিলেন, শুধু চাল, ডাল, আটা কৃষি নয় বরং মাছ, মাংস তরকারিও কৃষির অংশ। তাই বঙ্গবন্ধু কৃষির উন্নতির লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে ১৩ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সম্মেলনে কৃষিবিদের প্রথম শ্রেনীতে উন্নতি করেন।

উক্ত আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মু.সফিউল আলম, প্রক্টর ড. মো. খালিদ হোসেন, প্রফেসর ড. মু. শাহাদাৎ খান লিখন, প্রফেসর ড. ফাহিমা খানম প্রফেসর ডা মো. ফজলুল হক, অন্যান্য অনুষদের ডীনবৃন্দ এবং শিক্ষক কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অমৃতবাজার/আব্দুর রউফ/শাওন