ঢাকা, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

রাবিতে জালিয়াতি ভর্তিচ্ছুকে পুলিশে সোপর্দ


রাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৫:৫৭ পিএম, ১৪ নভেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার
রাবিতে জালিয়াতি ভর্তিচ্ছুকে পুলিশে সোপর্দ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) প্রথম বর্ষে ভর্তির সাক্ষাতকার দিতে গিয়ে ধরা পড়েছে খলিলুর রহমান নামের এক জালিয়াত পরীক্ষার্থী। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদভুক্ত বি ইউনিটে ভর্তির সাক্ষাতকার চলাকালে শিক্ষকদের জেরার মুখে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার কথা স্বীকার করে সে।

তবে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদেও জালিয়াত চক্রের ব্যাপারে মুখ খোলেনি ওই জালিয়াত পরীক্ষার্থী। খলিলুর রহমান যশোর জেলার সদর থানার তোফায়েল আহমেদের ছেলে। রাবির আইন অনুষদের মেধা তালিকায় তার অবস্থান ছিল ১৬তম। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে নগরীর মতিহার থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

সাক্ষাতকার বোর্ডে অংশ নেয়া দুই শিক্ষক বলেন, খলিলুর রহমানের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে চোখে পড়ে এইচএসসিতে ইংরেজি বিষয়ে সে ‘ডি’ গ্রেড পেয়েছে। অথচ ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়ে সে খুব ভালো করেছে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে ভর্তি পরীক্ষার লিখিত অংশ আবার জিজ্ঞেস করা হয়। সঠিক উত্তর দিতে না পারায় তারা বুঝতে পারেন জালিয়াতির মাধ্যমে পরীক্ষায় চান্স পেয়েছে সে।

এরপর আইন অনুষদের শিক্ষকেরা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই জন সহকারী প্রক্টর তাকে তিন ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এসময় চক্রের মাধ্যমে চান্স পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও ওই চক্রের সদস্যদের ব্যাপারে মুখ খোলেনি খলিলুর রহমান। সে বলে, আমি ওদের (চক্রের সদস্যদের) পরিচয় বললে আমাকে মেরে ফেলবে।

আইন অনুষদের অধিকর্তা আবু নাসের মো. ওয়াহিদ বলেন, ওই ভর্তিচ্ছুর হাতের লেখা না মেলায় আমাদের ভাইভা বোর্ডের সন্দেহ হয়। তছাড়া তার চেহারাটাও ভাইভা বোর্ডের শিক্ষকদের সন্দেহ হয়। পরে তাকে প্রক্টরের কাছে তুলে দেওয়া হয়। আমাদের এমসিকিউ থাকে ৮০ নম্বরের আর লিখিত থাকে ২০ নম্বরের। ওই ২০ নম্বরের হাতের লেখার আশপাশ দিয়েও তার লেখা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান জানান, জালিয়াতি করে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া ভর্তিচ্ছুকে পুলিশে দেয়া হয়েছে। পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবে।

অমৃতবাজার/শিহাবুল/মিঠু

Loading...