ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ | ১ পৌষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

জাবিতে ছাত্রলীগের আয়োজনে শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত


জাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০:৩৭ এএম, ১৯ আগস্ট ২০১৭, শনিবার | আপডেট: ১০:৩৯ এএম, ১৯ আগস্ট ২০১৭, শনিবার
জাবিতে ছাত্রলীগের আয়োজনে শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথক দুটি আবাসিক হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাৎ বাষির্কী উপলক্ষে শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । শুক্রবার সন্ধ্যা ৮.০০টায় আল-বেরুনী হলের অফিস ভবনের দো-তলায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ আল-বেরুনী হল শাখা এই শোক দিবসের আলোচনা সভার আয়োজন করে। আলোচনা সভায় প্রধান অথিতি হিসেবে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানা ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সুফিয়ান চঞ্চল উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি মো. আবু সাদাত সায়েম। অপরদিকে রাত ৯.০০ঘটিকায় শোক দিবসকে কে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ আল-বেরুনী হল সম্প্রসারিত ভবন শাখা ছাত্রলীগ পৃথক শোক দিবসের আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সম্প্রসারিত ভবন আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে একই হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ,সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (০১) মো. সাদ্দাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ আল-বেরুনী হল সম্প্রসারিত ভবন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শেফাউল ইসলাম।

 প্রধান অতিথি প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন তারঁ বক্তব্যে বলেন “১৯৭৫ সালে যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল তারা চিহ্নিত মানবতার শত্রু। বর্তমান  বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর মত নেতার খুবই প্রয়োজন। বঙ্গবন্ধু কেবল একজন নেতাই ছিলেন না একই সাথে তিনি একজন দক্ষ সংগঠকও ছিলেন। তিনি কেবল রাজনৈতিক মুক্তির কথাই চিন্তা করেন নি একই সাথে অর্থনৈতিক মুক্তির কথা ভাবতেন । বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন সফল করতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন।`

জাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানা বলেন “ আওয়ামীলীগের জারজ সন্তান খোন্দকার মোশতাক ও জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন এবং পরে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারকাজ বন্ধ করে দেয়। সেই সাথে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসিয়ে তাদের হাতে পতাকা তুলে দিয়েছে। রাষ্ট্র ক্ষমতায় না থাকতে পেরে দেশে আজ জঙ্গি লালন প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে।`

জাবি ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সুফিয়ান চঞ্চল বলেন “১৯৭৫ সালের রে রাজনীতিতে জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে যেভাবে আগলে রেখেছেন আজকের শোক দিবসের আলোচনা সভা ছাত্রলীগ তথা আওয়ামী লীগ কে আরো শক্তি শালী করবে। বর্তমান তরুণ সমাজ ও ছাত্রলীগের প্রতিটি সদস্যকে বঙ্গবন্ধুর ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত স্বদেশ নির্মাণে অপশক্তি মোকাবেলায় আরো সচেতন হতে হবে। জাতির পিতার সপ্ন সফল করতে সকলের দুঃখের কথা আর অন্তর এক হতে হবে।

অমৃতবাজার/মল্লিক/সাইফুল

Loading...