ঢাকা, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৯ | ১২ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদায় নির্মাণ ব্যয়ের থেকে বেশি


অমৃতবাজার রিপোর্ট,

প্রকাশিত: ১০:৫৩ এএম, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার | আপডেট: ০৭:২১ পিএম, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার
বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদায় নির্মাণ ব্যয়ের থেকে বেশি

যমুনা নদীর উপর দীর্ঘ বঙ্গবন্ধু সেতু তৈরিতে যে অর্থ ব্যয় হয়েছিল, টোল থেকে তা ইতোমধ্যে সেই অর্থ আদায় হয়ে গেছে।

সোমবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এতথ্য জানিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণে তিন হাজার ৭৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল। টোল বাবদ যা আদায় রয়েছে চার হাজার ৯৮৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। নির্মাণ ব্যয় থেকে এক হাজার ২৪১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা বেশি।

উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে মধ্যাঞ্চলের সরাসরি সড়ক ও রেল যোগাযোগ স্থাপনে নির্মিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু সেতু। ১৯৯৮ সালের জুন মাসে সেতুটি উন্মুক্ত করা হয়।

বঙ্গবন্ধু সেতু পারাপারে প্রতিটি বড় বাসকে ৯০০ টাকা, ছোট বাসকে ৬৫০ টাকা, বড় ট্রাককে ১৪০০ টাকা, মাঝারি ট্রাককে ১১০০ টাকা এবং ছোট ট্রাককে ৮৫০ টাকা হারে টোল দিতে হয়।

সেতুটি নির্মাণে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ।

তিনি বলেন, আদায় করা টোল দিয়ে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়সহ সেতু কর্তৃপক্ষের অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় নির্বাহের পর ঋণ পরিশোধ করা হয়ে থাকে। বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় ঋণ পরিশোধেও দেরি হচ্ছে। ২০৩৪ সাল নাগাদ পরিশোধ শেষ হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন সংসদে বলেন, ঢাকা শহরের চতুর্দিকে বৃত্তাকার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ১৯ শতাংশ।

রেলমন্ত্রী জানান, ঢাকা হতে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের মাঠ পর্যায়ের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে যা এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ১৬ দশমিক ৭০ শতাংশ।

ঢাকা-চট্টগ্রাম ভায়া কুমিল্লা/লাকসাম দ্রুতগতির রেললাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও নকশা প্রণয়নের কাজ চলমান বলেও জানান রেলমন্ত্রী। এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ২১ শতাংশ।তিনি বলেন এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিরতিহীনভাবে ৫৭ মিনিটে এবং বিরতি দিয়ে ৬৯ মিনিটে ঢাকা হতে চট্টগ্রাম যাওয়া সম্ভব হবে।

অমৃতবাজার/এনআই