ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

বাজারভর্তি শীতের সবজি, তবুও দাম চড়া


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৪২ এএম, ২৬ অক্টোবর ২০১৮, শুক্রবার
বাজারভর্তি শীতের সবজি, তবুও দাম চড়া

রাজধানীতে ইতিমধ্যে শীতের একটা আবহ তৈরি হয়েছে। এই সময় নানা ধরনের নতুন শাকসবজি পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। যেগুলো মূলত শীতকালীন সবজি হিসেবে পরিচিত। শীত পুরোপুরি শুরুর আগেই এই সবজিগুলো বাজারে পাওয়া গেলেও দাম বেশ চড়া। ফলে সমস্যা তৈরি হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।

শুক্রবার রাজধানীর ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল ও নিউমার্কেট বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দাম কিছুটা বেশি হলেও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে পালং শাক, লাল শাক, সরিষা শাকসহ বেগুন, মুলা, লাউ, শিম, টমেটো, গাজর, বাঁধাকপি, ফুলকপিসহ বিভিন্ন শীতকালীন সবজি।

তবে একটু বেশি দাম হলেও বেশ স্বাচ্ছন্দ্য নিয়েই এগুলো কিনছেন সবাই। কারওয়ান বাজারে প্রতি পিস বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়, প্রতি পিস ফুলকপি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে। শিমের দাম প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। সাইজ অনুসারে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে। আবার এসব বাজারে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৭০ টাকা, কচুর লতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঝিঙা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কাকরোল ৪৫ থেকে ৬০ টাকা, জালি কুমড়া প্রতি পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজারে শাকের দাম কিছুটা কমেছে। কলমি শাক প্রতি আটি ৫ থেকে ৭ টাকা, লাল শাক ৭ থেকে ১০ টাকা, লাউ শাক ২৫ থেকে ৩৫ টাকা ও পালং শাক ২৫ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

শাকের দাম কমের বিষয়ে এক ব্যবসায়ী জানান, এখন শীতের আগাম চাষের শাক পরিমাণে কম, এজন্য একটু বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। চাহিদার উপযোগী সরবরাহ আসতে আরও অন্তত ১৫ দিনের মতো সময় লাগবে।

অন্যদিকে শুক্রবার বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়। যা গত সপ্তাহে ছিল মাত্র ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজে ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা।

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন ধরনের মাছের মধ্যে চাষের পাঙ্গাস ১৪০ থেকে ১৭০ টাকা, কৈ ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, ট্যাংরা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, শিং ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ৫ টাকা করে বেড়ে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। সঙ্গে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অমৃতবাজার/সুজন