ঢাকা, শনিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৮ | ৩ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

পরিবহন সংকটে সবজির বাজারে আগুন


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০২:১৫ পিএম, ০৫ আগস্ট ২০১৮, রোববার
পরিবহন সংকটে সবজির বাজারে আগুন

টানা বৃষ্টি ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রভাবে রাজধানীর বাজারে সবজির দাম বেড়েছে। দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে কাঁচামরিচ, পেয়াজ, আলু, ভেন্ডি, লাউ, শসাসহ সব ধরনের সবজি। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া  গেছে।

গত সপ্তাহে এসব বাজারে বেশিরভাগ সবজির কেজি ৩০ টাকার মধ্যে বিক্রি হলেও এখন বাজারে ৪০ টাকার নিচে কোনো সবজি বিক্রি হয়নি। সবজির এ দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েক দিন ধরেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে। পাশাপাশি চলছে অঘোষিত পরিবহন ধর্মঘট।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতো সবজির মধ্যে বাজারে এখনো সব থেকে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পাকা টমেটো এবং বরবটি। প্রায় সব বাজারেই পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে। তবে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া বরবটির দাম বেড়ে এখন ৫০-৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, প্রতি ডজন ফার্মের ডিম ৩ টাকা বেড়ে বিক্রি হয় ১০৮ টাকায়। ডিম ব্যবসায়ীরা জানান, দুই সপ্তাহ ধরে ডিমের ডজন ১০৫ টাকা বিক্রি করছি। চাহিদার তুলনায় ডিমের সরবরাহ কম থাকায় ডিমের দাম বেড়ে গেছে। আদার দামও বাড়তি। গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি আদা বিক্রি হয় ১২০ টাকা। ৮০-৯০ টাকা কেজি রসুন বিক্রি হয় ৯০-১১০ টাকা।

অন্যদিকে, মাছ ও মাংসের বাজারে অনেকটা স্বস্তি বিরাজ করছে। প্রতি কেজি রুই ও কাতলা ২৩০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজি প্রতি বড় আকারের চিংড়ি এক হাজার টাকা, মাঝারি আকারের চিংড়ি ৭০০-৭২০ টাকা ও ছোট আকারের চিংড়ি ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া কেজি প্রতি তেলাপিয়া ১৩০-১৪০ টাকা, কই ১৪৫-১৫৫ টাকা, সিলভার কার্প ১০০-১৩০ টাকা, পাবদা ৪০০-৪৫০ টাকা, পাঙ্গাশ ১১০-১৩০ টাকা, নলা ১২৫-১৩৫ টাকা ও সরপুঁটি ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারও স্থিতিশীল। এছাড়া ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাকিস্তানি মুরগি আকারভেদে ১৫০-৩০০ টাকা, লেয়ার ২০০ টাকা ও গরুর মাংস ৪৭০-৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এমনিতে পরিবহন সংকটের কারণে সাধারণ মানুষকে গত কয়েক দিন যাতায়াতের ক্ষেত্রে গড়ে ৮-১০ গুণ বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। তারপর নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সাধারণ মানুষের আয়ের এক বড় অংশ চলে যাচ্ছে নিত্যপণ্য কেনার জন্য।

অমৃতবাজার/জয়