ঢাকা, সোমবার, ১৬ জুলাই ২০১৮ | ১ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ব্যাংকঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৯০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০১:০০ পিএম, ০৯ জুলাই ২০১৮, সোমবার
ব্যাংকঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৯০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা

বিদায়ী অর্থবছরের শেষ সময়ে এসে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৯২৬ কোটি টাকা। ফলে বিগত অর্থবছরগুলোতে নেওয়া ব্যাংকঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৯০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুন পর্যন্ত সরকারের মোট ব্যাংকঋণের স্থিতি ছিল ৮৯ হাজার ৭১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা, যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুন শেষে সামান্য বেড়ে হয়েছে ৯০ হাজার ৬৪২ কোটি ছয় লাখ টাকা। সেই হিসাবে সদ্যঃসমাপ্ত অর্থবছরে সরকারের নিট ব্যাংকঋণ বেড়েছে ৯২৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বা ১.০৬ শতাংশ।

পরিসংখ্যান ঘেটে দেখা যায়, এ পর্যন্ত ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের নেওয়া ঋণের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ২৩ হাজার ৬৭৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ৬৬ হাজার ৯৬৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে সরকারের।

ব্যাংকের বাইরে জাতীয় সঞ্চয় স্কিমগুলোসহ অন্যান্য উৎস থেকে ঋণ সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু সঞ্চয়পত্র থেকে নেওয়ার কথা ছিল ৩০ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। তবে সংশোধিত বাজেটে সঞ্চয়পত্রের ঋণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৪৪ হাজার কোটি টাকা করা হয়।

অন্যদিকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে বৈদেশিক সহায়তা এসেছে ২৫ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা; যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। এদিকে সদ্যঃসমাপ্ত অর্থবছরের পুরো সময়ে এক লাখ ৫৭ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকার সংশোধিত এডিপির মধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে এক লাখ ৪৭ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা। বাস্তবায়নের হার ৯৩.৭১ শতাংশ।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরেও সরকারকে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে কোনো ঋণ করতে হয়নি। ওই অর্থবছরে মূল বাজেটে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩৮ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা। তবে সঞ্চয়পত্র বিক্রি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ চাহিদা কম হওয়ায় সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ৩১ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা। অর্থবছরের শুরুতে সরকার কিছু ঋণ করলেও পরে তা শোধ করায় অর্থবছর শেষে তা ঋণাত্মক ধারায় নেমে আসে।

অমৃতবাজার/জয়