ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৮ | ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

রিজার্ভ চুরি: ফিলিপাইনের আদালতে সিআইডির ফরেনসিক প্রতিবেদন


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৬:২৩ পিএম, ০৭ জুলাই ২০১৮, শনিবার
রিজার্ভ চুরি: ফিলিপাইনের আদালতে সিআইডির ফরেনসিক প্রতিবেদন

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বিষয় বিস্তারিত জানিয়ে ফিলিপাইনের আদালতে জমা দেওয়া ফরেসনিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে টাকা চুরি হয়েছে বলেও ফরেনসিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার ও রিজার্ভ চুরি মামলার তদারক কর্মকর্তা মোল্লা নজরুল ইসলাম এতথ্য নিশ্চিত করছেন।

তিনি বলেন, ‘হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের টাকা চুরি হয়েছে মর্মে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে ফিলিপাইনের আদালতে একটি ফরেনসিক প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। যা মামলার সাক্ষ্য হিসেবে কাজে লাগবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডি’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান ফিলিপাইনের আদালতে এ ফরেনসিক প্রতিবেদন দাখিল করেন। তার সঙ্গে ছিলেন আইটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরি করে নেয় দুর্বৃত্তরা। এর মধ্যে ২ কোটি ডলার চলে যায় শ্রীলঙ্কা এবং ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চলে যায় ফিলিপাইনের জুয়ার আসরে। ঘটনার প্রায় একমাস পর বিষয়টি বাংলাদেশ জানতে পারে ফিলিপাইনের একটি পত্রিকার সংবাদের মাধ্যমে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হয়। এ ঘটনা চেপে রাখতে গিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে পদ ছাড়তে বাধ্য হন তখনকার বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান।

বড় ধরনের রদবদল করা হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ে। পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মানি লন্ডারিং আইনে ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরির অভিযোগ এনে ১৫ মার্চ (২০১৬) মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডিকে। তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পান সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান। মামলার তদন্ত এখনও চলছে।

অমৃতবাজার/সুজন