ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সকল সরকারি চাকরিজীবীদের ফের সুখবর দিলো সরকার


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:৩৮ এএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার
সকল সরকারি চাকরিজীবীদের ফের সুখবর দিলো সরকার

এবার অবসরপ্রাপ্ত সব সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর দিলো সরকার। চলতি বছরের জুনের মধ্যেই অবসরপ্রাপ্ত সব সরকারি চাকরিজীবীরা ঘরে বসেই পেনশনের টাকা পাবেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় পেনশন অ্যান্ড ফান্ড ম্যানেজমেন্ট অফিস এ বিষয়ে যাবতীয় কাজ প্রায় শেষ করেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র বলেছে, পেনশন সুবিধাভোগীরা তাদের সুবিধামতো যে কোনো ব্যাংকের যে কোনো শাখার হিসাব নম্বর দিতে পারেন। যাদের ব্যাংক হিসাব নেই বা থাকলেও বিকাশে পেতে চান, তাদের টাকা সেখানেই পাঠানো হবে।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ‘স্ট্রেনদেনিং পাবলিক ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস’ প্রকল্পের আওতায় মোট আটটি কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর অন্যতম একটি কার্যক্রম হচ্ছে সরকারি খাতের পেনশন ব্যবস্থাপনা সংস্কার, যা গত বছর থেকে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, দ্রুত ও হয়রানিমুক্তভাবে পেনশনের টাকা সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

সংশ্নিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৭ লাখ ৪১ হাজার সরকারি চাকরিজীবী মাসিক পেনশন পান। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের এক লাখ ২৬ হাজার জনকে অনলাইনের আওতায় আনা হয়। বাকিদেরও আনতে কাজ চলছে।

সূত্র জানায়, প্রতি বছর বাজেটে বরাদ্দের বড় একটি অংশ ব্যয় হয় পেনশন বাবদ। গত অর্থবছরে এ খাতে খরচ হয় প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা।

পেনশন ব্যবস্থা সহজ করার জন্য কয়েক বছর ধরে কাজ করছে সরকার। এর আলোকে কল্যাণ তহবিল, প্রভিডেন্ট ফান্ড, চাকরিজীবীরা অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) যাওয়ার আগেই পেতে পারেন, সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পেনশনের জন্য যেসব দপ্তরের ছাড়পত্র নিতে হয়, সেগুলো আর সংগ্রহ করতে হবে না। এ ছাড়া বিদ্যমান চাকরিজীবী স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী আজীবন পেনশন সুবিধা পেয়ে থাকেন। কিন্তু চাকরিজীবী স্ত্রীর মৃত্যুর পর স্বামী সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত এ সুবিধা পান। এ বৈষম্য দূর করার কথা ভাবছে সরকার।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুসলিম চৌধুরী বলেন, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পেনশনের টাকা যাতে ঘরে বসেই পেতে পারেন সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করা হয়েছে। মাসে মাসে পেনশনের টাকার জন্য এজি অফিস বা ব্যাংকে গিয়ে আর লাইন ধরতে হবে না।

অমৃতবাজার/আরইউ