ঢাকা, শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২০ | ১২ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক স্কুলের জন্য সুখবর, জানুয়ারিতেই নতুন প্রকল্প


অমৃতবাজার ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:০৪ পিএম, ১৩ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার
প্রাথমিক স্কুলের জন্য সুখবর, জানুয়ারিতেই নতুন প্রকল্প

বাংলাদেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য সুখবর দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি এ বিষয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১১৫৯ কোটি ২১ লাখ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এই প্রকল্পটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে জানুয়ারি থেকেই। প্রকল্প শেষ হবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে।

প্রকল্পটিতে রয়েছে- শ্রেণিকক্ষের দেয়ালে নানা রঙ দিয়ে লেখা থাকবে বাংলা ও ইংরেজি বর্ণমালা। থাকবে মীনা, মিতু ও রাজুর ছবি। আর গাণিতিক চিহ্ন ছাড়াও দেয়ালে দেয়ালে আঁকা হবে দেশ বরেণ্য লেখক ও মনীষীর ছবি। রাজধানীর সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এভাবেই দৃষ্টিনন্দন করা হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজধানীর ১৫৪টি বিদ্যালয়ের ২৯৭৫টি কক্ষ নতুনভাবে নির্মাণ ও দৃষ্টিনন্দন করা হবে। আর ১৭৭টি বিদ্যালয়ের ১১৬৭টি কক্ষের অবকাঠামো উন্নয়নসহ সৌন্দর্য বাড়ানো হবে। প্রকল্পের আওতায় মোট ২ লাখ শিশু শিক্ষার্থীর জন্য শিশুবান্ধব শিক্ষা গ্রহণের পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে আরও দৃষ্টিনন্দন করতে এ প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে রাজধানী ঢাকার ৩৪২টি স্কুলে নতুনভাবে সংস্কার কাজ করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় উত্তরা ও পূর্বাচলে ১৪টি নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয় দৃষ্টিনন্দন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে রাজধানীর সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন দৃষ্টিনন্দন করতে প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, রাজধানীর যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয় সম্প্রসারণ বা আধুনিক করার সুযোগ নেই, সেগুলোকে কাছাকাছি কোনও বড় পরিসরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে একীভূত করা হবে। সব বিদ্যালয়ে তৈরি করা হবে খেলার মাঠ। প্রতিটি বিদ্যালয়কেই পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৬৪ হাজার ১১২টি। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরে রয়েছে ৩৪২টি। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৬ হাজার ১০৬টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে। এছাড়া, অস্বস্তিকর পরিবেশে ৩৯ হাজার ৬১৪টি জরাজীর্ণ ভবনে লেখাপড়া করছে শিশুরা। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ শুরু করতে যাচ্ছে সরকার।

অমৃতবাজার/আরইউ