ঢাকা, রোববার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নৌ ধর্মঘট প্রত্যাহার


অমৃতবাজার রিপোর্ট 

প্রকাশিত: ১০:০৭ এএম, ০১ ডিসেম্বর ২০১৯, রোববার | আপডেট: ১০:৫৪ এএম, ০১ ডিসেম্বর ২০১৯, রোববার
নৌ ধর্মঘট প্রত্যাহার

 

সারাদেশে নৌযান শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। ধর্মঘটে শনিবার দিনভর যাত্রীদের ভোগান্তির পর মধ্যরাতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

শনিবার শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ কে এম মিজানুর রহমান বিকাল ৩টা থেকে শ্রম ভবনে লঞ্চ মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠকে বসেন। বৈঠকে দাবি-দাওয়া পূরণের আশ্বাস পেয়ে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন শ্রমিক প্রতিনিধিরা।

শুক্রবার মধ্যরাত থেকে (শনিবার রাতের প্রথম প্রহর) লাগাতার নৌ ধর্মঘটে নেমেছিলেন নৌযান শ্রমিকরা। নিয়োগপত্র ও খাবার ভাতা দেওয়াসহ ১১ দফা দাবিতে এ ধর্মঘটের ডাক দেয় বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন। এতে সারা দেশে সকল প্রকার নৌ চলাচল বন্ধ থাকে। দিনভর ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা।

ফেডারেশনের দাবিগুলো হলো:

 ১. বাল্কহেডসহ সব নৌযান ও নৌপথে চাঁদাবাজি ও ডাকাতি বন্ধ করা।

 ২. ২০১৬ সালে ঘোষিত গেজেট অনুযায়ী নৌযানের সর্বস্তরের শ্রমিকদের বেতন দেওয়া।

 ৩. ভারতগামী শ্রমিকদের ল্যান্ডিং পাস এবং মালিক কর্তৃক খাদ্য ভাতা দেওয়া।

 ৪. সব নৌযান শ্রমিকের সমুদ্র ও রাত্রিকালীন ভাতা নির্ধারণ।

 ৫. এনডোর্স, ইনচার্জ, টেকনিক্যাল ভাতা পুনর্নির্ধারণ।

 ৬. কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ।

 ৭. প্রত্যেক নৌশ্রমিককে নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র ও সার্ভিস বুক দেওয়া।

 ৮. নদীর নাব্য রক্ষা ও প্রয়োজনীয় মার্কা, বয়া ও বাতি স্থাপন।

 ৯. মাস্টার/ড্রাইভার পরীক্ষা, সনদ বিতরণ ও সনদ নবায়ন, বেআইনি নৌ চলাচল বন্ধ করা।

 ১০. নৌপরিবহন অধিদপ্তরে সব ধরনের অনিয়ম ও শ্রমিক হয়রানি বন্ধ করা। এবং

১১. নৌযান শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

অমৃতবাজার/এএস