ঢাকা, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২০ | ২১ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

যে উদ্দেশ্যে হলি আর্টিজানে হামলা


অমৃতবাজার রিপোর্ট 

প্রকাশিত: ১০:২৩ এএম, ২৭ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার
যে উদ্দেশ্যে হলি আর্টিজানে হামলা

 

বহুল আলোচিত গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে নৃশংস জঙ্গি হামলা মামলার রায় আজ বুধবার।

রাজধানীর সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান রায় ঘোষণা করবেন। মামলার তদন্ত সংস্থা এবং সরকারি কৌঁসুলিরা অভিযুক্ত আট আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীদের দাবি- সরকার পক্ষ আসামিদের অপরাধ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছেন। তারা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেছেন।

এদিকে হলি আর্টিজান হামলা মামলার রায়কে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে পুরানো ঢাকার আদালত পাড়াসহ রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আলোচিত এই মামলার রায়কে কেন্দ্র করে সারা দেশেই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পেছনে জঙ্গিদের তিনটি উদ্দেশ্য ছিল।

প্রথমত, কূটনৈতিক এলাকায় হামলা করে নিজেদের সামর্থ্য জানান দেয়া।

দ্বিতীয়ত, বিদেশি নাগরিকদের হত্যা করে নৃশংসতার প্রকাশ ঘটানো।

তৃতীয়ত, দেশে বিদেশের গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার পাওয়ার মাধ্যমে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিসানে হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তাদের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। ওই ঘটনায় পরে গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করে পুলিশ।

গত ১৭ নভেম্বর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণা জন্য ২৭ নভেম্বর (বুধবার) দিন ধার্য করেন।

মামলা দায়ের করার পর ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক হুমায়ুন কবির। একই বছর ২৬ নভেম্বর ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

অমৃতবাজার/এএস