ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

গুজব ছড়ানো ও বাড়তি দামে লবণ বিক্রির দায়ে আটক শতাধিক


অমৃতবাজার রিপোর্ট 

প্রকাশিত: ১০:৫৯ পিএম, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার
গুজব ছড়ানো ও বাড়তি দামে লবণ বিক্রির দায়ে আটক শতাধিক

 

লবনের মূল্য বৃদ্ধির গুজবে ছড়িয়ে পড়ায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। গুজব ছড়িয়ে অতিরিক্ত দামে লবণ বিক্রির অভিযোগে সারাদেশে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ১৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দুপুর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তাদের আটক করে পুলিশ। একইসঙ্গে জরিমানা করা হয়েছে শতাধিক ব্যবসায়ীকে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৪ জন আটক হন বগুড়ায়। এছাড়া গাইবান্ধায় ২৪ জন, মুন্সিগঞ্জে ১৪ জন, খুলনায় ১৩ জন, সাতক্ষীরায় ১০ জন, বরিশালে ২ জন, পটুয়াখালিতে ৩ জন, নরসিংদীতে ২ জন, কিশোরগঞ্জে ২ জন, জামালপুরে ৫ জন, মাদারীপুরে ২ জন, চুয়াডাঙ্গায় ৮ জন, নীলফামারীতে ২ জন, লালমনিরহাটে ৩ জন এবং নারায়ণগঞ্জে ১ জনকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে, রাজধানীর পুরান ঢাকায় বেশি দাম রাখায় চার খুচরা ব্যাবসায়ীকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ডিএমপির ভ্রাম্যমান আদালত। এছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ে কারসাজিতে জড়িত ৫ জনকে সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

এদিন লবনের মুল্য বৃদ্ধির গুজব ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় নামে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। পুরান ঢাকার নয়বাজার, নাজিরা বাজারসহ বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে লবনের প্যাকেটে লেখা দামের চেয়ে বেশি দর রাখায় চার ব্যাবসায়ীকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদালত। এ সময় দোকানে মূল্য তালিকা ঝুলিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

অন্যদিকে, ঠাকুরগাঁওয়ে অতিরিক্ত দামে লবণ বিক্রির অভিযোগে টাস্ক ফোর্স বিভিন্ন এলাকার ৩ ব্যবসায়ীকে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে। এর মধ্যে দু`জনকে করা হয় ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা।

নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেশি দামে লবণ বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারিও দেয়া হয়।

এদিকে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন বলছে, সাড়ে ৫ লাখ টন লবন মজুদ রয়েছে। মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, দাম বৃদ্ধির কোনও কারণ নেই।

দেশের কোথাও লবনের মূল্য বৃদ্ধির অভিযোগ পেলে ৯৯৯ অথবা সংশ্লিষ্ট থানা কিংবা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে জানানোর অনুরোধ জানিয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

অমৃতবাজার/এএস