ঢাকা, রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯ | ৩ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

চীন থেকে এসেছে মশা মারার নতুন ওষুধ


অমৃতবাজার রিপোর্ট

প্রকাশিত: ০৯:৫৯ পিএম, ০৭ আগস্ট ২০১৯, বুধবার | আপডেট: ১০:০১ পিএম, ০৭ আগস্ট ২০১৯, বুধবার
চীন থেকে এসেছে মশা মারার নতুন ওষুধ

চীন থেকে আমদানি করা মশা মারার নতুন ওষুধ আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে ওয়ার্ডভিত্তিক ছিটানো হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

বুধবার রাজধানীর গুলশানে নগর ভবনে মশা মারার কার্যক্রম ও কীটনাশক প্রয়োগের অগ্রগতি সম্পর্কে জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র এ কথা জানান।

আতিকুল ইসলাম বলেন, নতুন ওষুধের নমুনা এনে পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রথমে ফিল্ড টেস্ট, ল্যাব টেস্ট করা হয়েছে। আমি টেকনিক্যাল টিমকে বলেছি যে, যারা ওষুধ পরীক্ষা করবে ওষুধ নিয়মে তাদেরই দায় নিতে হবে।

মেয়র জানান, নতুন এই কীটনাশকের নাম ‘মেলাথিয়ন’। এটি আগের কীটনাশকের চেয়ে বেশি কার্যকর এবং ওষুধটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃত। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মশা নিধনে এই কীটনাশক ব্যবহার করা হয় বলেও জানান মেয়র।

মেয়র বলেন, এখন থেকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসি ইন্টিগেটেড ভেক্টর ম্যানেজমেন্টের (আইভিএম) আওতায় বছরের ৩৬৫ দিন এডিস মশা নির্মূলে কাজ করবে।

ডেঙ্গু দমনে ডিএনসিসির বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে মেয়র বলেন, ‘প্রতিটি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সেল গঠন করা হয়েছে। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা সরাসরি বাড়ি-বাড়ি গিয়ে জনগণকে সচেতন করে তুলছেন।

ইতিমধ্যে প্রায় এক লাখ দুই হাজার বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়েছে। এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাওয়ায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বাড়ির মালিককে সর্বমোট ৩২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

কলকাতা পৌরসংস্থার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ‘অতীন ঘোষ রাজনৈতিক সদিচ্ছার কথা বলেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডেঙ্গু পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত আছেন। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার জন্য তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। যা রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রতিফলন।’

সংবাদ সম্মেলনে মেয়র সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন, উদ্ভিদ সংরক্ষণ শাখার অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. মোশারফ হোসেন, কীটতত্ত্ববিদ ড. মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার প্রমূখ।

অমৃতবাজার/এএস